কিভাবে বেকারি ব্যবসা শুরু করবেন

কিভাবে বেকারি ব্যবসা শুরু করবেন

কিভাবে বেকারি ব্যবসা শুরু করবেন

কিভাবে বেকারি ব্যবসা শুরু করবেন

বেকারি ব্যবসা আইডিয়া মাথায় ঘুরছে? খাবার ভিত্তিক ব্যবসার আইডিয়ার মধ্যে বেকারি ব্যবসা অন্যতম। এই ব্যবসাকে খাবার ভিত্তিক উৎপাদন মুখী ব্যবসাও বলা যেতে পারে। নিজের নামে উৎপাদন মুখী ব্রান্ড খুলতে চাইলে এই ব্যবসার ন্যায় লাভজনক ব্যবসা কমই আছে। লাভের দিক থেকে এই ব্যবসা অতুলনীয় এবং এই ব্যবসার মূল সম্যসা হচ্ছে বাকীতে বেকারি পণ্য বিক্রি করা। যদিও এই সম্যসা তেমন কিছু না যদি আপনার সঠিক বিজনেস প্ল্যান থাকে।

বিস্কুট, কেক, রুটি, কুকিজ, টোস্ট বিস্কুট, জন্মদিনের কেক ইত্যাদি যেখানে তৈরী করা হয় তারই নাম বেকারি। বর্তমানে বেকারির মধ্যে তৈরী হচ্ছে ফাস্টফুড,মিষ্টি এবং অনেক রকম স্বাদের খাদ্য। তাই সাতপাঁচ না ভেবে একটি সঠিক ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরি করে মাঝারি মানের ব্যবসা হিসাবে শুরু করুন বেকারি ব্যবসা।

মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে বেকারি পণ্যের বাজার ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বেকারি শিল্পের অগ্রগতি চোখে পড়ছে। যেকোনো দোকানে বিশেষ করে চায়ের দোকানে খুব কম টাকায় বেকারী পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। মানুষের তাৎক্ষনিক চাহিদা মেটানোর জন্য এখন দেশের তৈরী বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটজাত বিস্কুট পাওয়া যায়। খাদ্য হিসেবে বেকারির পন্য এখন নিত্যনতুন চমক নিয়ে আসছে বাজারে। দিন দিন বেড়েই চলেছে বেকারি পণ্যের চাহিদা।

কেন বেকারি ব্যবসা শুরু করবেন

এই ব্যবসাটি শুরু করতে উৎপাদনের খরচ কম বিধায় স্বল্প টাকা বিনিয়োগ করে এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। যে কেউ স্বল্প টাকা বিনিয়োগ করে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। বেকারির পণ্যের চাহিদা ব্যাপক। বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই ব্যবসাটি শুরু করতে তেমন কোনো বেশি পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। যে কোনো চায়ের দোকানে কিংবা মুদি দোকানে (কুকিজ, বিস্কুট) বেকারির পণ্য বিক্রি করা যায়। পুঁজি যত বেশি হবে কারখানার পরিধি তত বেশি এবং আয়ের পরিমানও তত বেশি হবে। এই ব্যবসাটিতে ঝুঁকির পরিমাণ তুলনামূলক অন্য ব্যবসার থেকে কম।

বড় বাজার বা মার্কেটের পাশে খালি জায়গাতে এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। তবে যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো সেখানে এই ব্যবসাটি শুরু করা ভালো।

সম্ভাব্য পুঁজি: এই ব্যবসাটি শুরু করতে হলে ৫ লক্ষ থেকে ৮  লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুঁজি বিনিয়োগ করতে হতে পারে। তবে টাকার পরিমাণ স্থানের উপর অনেক নির্ভর করে।

যেভাবে বেকারি ব্যবসা শুরু করবেন

বেকারি ব্যবসা আপনি চাইলেই হুট করে শুরু করে দিতে পারেন না। শুরু করার জন্য চাই সঠিক পরিকল্পনা। এই বিজনেস প্ল্যান আপনাকে নিজে বানাতে হবে। প্রথমে চিন্তা করতে হবে আপনি কি ধরনের বেকারি শুরু করতে চান। তার পরে বেকারি কারখানার জন্য কতটুকু জায়গা দরকার তা জানতে হবে।

আপনার আশে পাশে কোন বেকারি আছে কিনা তা খুঁজে দেখুন। তারা কি পন্য উৎপাদন করছে তা জেনে নিন এবং কি পণ্যের চাহিদা আছে কিন্তু তারা উৎপাদন করছে না তা খুঁজে বের করুন। এবং সেই সাথে তাদের কাজ থেকেই জানার চেষ্টা করুন- কি কাগজ পএ দরকার হয় বেকারি ব্যবসায়, কোথা থেকে অনুমতি নিতে হয়, ইত্যাদি।

ব্যবসাটি শুরু করার জন্য আপনার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলির তালিকা তৈরি করে নিন। এখন সব মিলিয়ে কত টাকা লাগবে এবং আয় কি রকম হতে পারে তার জন্য একটি বিজনেস প্ল্যান তৈরি করে নিন। মনে রাখতে হবে এই প্ল্যানটি আপনাকে মাঠে নেমে সব কিছু জেনে বুজে করতে হবে। তাহলেই সঠিক ভাবে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করা যেতে পারে।

বাজারজাত করণ

এই ব্যবসায় সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বাজারজাতকরন। আপনি এই বিভাগে যত বেশী দক্ষ হবেন ততই এই ব্যবসার সাফল্যের কাছে পৌঁছে যাবেন। বেকারির পণ্য বেশির ভাগ দোকানে পাওয়া যায়। নিজস্ব শো-রুম থেকে পাইকারি ভাবেও দোকানদারদের কাছে বিক্রি করা যায়। বর্তমানে অনেক সুপার শপেও বেকারির পণ্য বিক্রি করা যায়। বেকারির পণ্য বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করার জন্য গাড়ি থাকতে হবে।

যোগ্যতা: বেকারি পণ্য সাধারনত কারিগররা বানিয়ে থাকে। তাছাড়া বেকারির পণ্য তৈরী করতে হলে দক্ষ কর্মী নিয়োগের পাশা পাশি, মার্কেটিং এর ব্যবস্থার উপর জোড় গুরুত্ব দিতে হবে।

বেকারি ব্যবসায় লাভ

এই ব্যবসায়ের লাভ বেশ ভালই হয়। বেকারি কারখানা যত বেশী বড় হবে পণ্য তত বেশী উৎপাদিত হবে। উৎপাদিত বেকারি পণ্যে শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ লাভ করা যায়।