কিভাবে টুথপিক তৈরী ব্যবসা করতে পারেন ? আসুন জেনে নেই

টুথপিক তৈরী ব্যবসা

টুথপিক তৈরী ব্যবসা

টুথপিক তৈরী ব্যবসা

 

টুথপিক বা দাঁতখিলেল মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় এবং অতীব পুরনো একটি অনুষঙ্গ। দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্যকনা বের করাই এর কাজ। টুথপিকের সুচালো আগা দিয়ে দাঁত খুচিয়ে খাদ্য কণা বের করে নিলেই মানুষ আরামবোধ করে। এই টুথপিক সর্বপ্রথম প্রচলণ করেন ব্রাজিলিয়ানরা। ব্যবসায়িক লাভের কথা চিন্তা করলে টুথপিক অত্যন্ত সৃজনশীল ও যুগান্তকারী একটি ব্যবসা ধারণা। এখন বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলেই টুথপিক মানুষের জন্য একটি নিত্যকার ব্যবহার সামগ্রী। এজন্য বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও স্বয়ংক্রিয় মেশিনের সাহায্যে টুথপিক তৈরী করা হয়ে থাকে। অল্প পুঁজিতে খুব সহজেই  যেকোনো পর্যায়ের উদ্যোক্তা এ ব্যবসাটি করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।

 

ব্যবসায়ের অবস্থান: এই ব্যবসাটি আপনি বাড়িতে বসেই শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসাটি করতে বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না ঘরের ভিতরে এই ব্যবসাটি করতে পারেন।

 

সম্ভাব্য পুঁজি: এই ব্যবসাটি করতে হলে ১০০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা পর্যন্ত পুঁিজ  বিনিয়োগ করতে হবে।

 

কেন এই ব্যবসাটি শুরু করবেন: এটি বিশ্বের মধ্যে একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। এই ব্যবসায়ের মধ্যে কোনো রকম ঝুঁকি নেই বললেই চলে। এই ব্যবসাটির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। যার কারণে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা এই ব্যবসাটি করতে আগ্রহী। এই ব্যবসাটি খুব সহজে করা যায়। এই ব্যবসায়ে লাভের পরিমান অনেক বেশি।

 

কিভাবে শুরু করবেন : টুথপিক তৈরী করতে প্রথমে বাশের প্রয়োজন হয়। বাশ কেটে ছোট ছোট টুকরো করে জীবাণু মুক্ত করার জন্য গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর এই গুলোকে প্যাকেট ভরে বাজারজাত করণের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন।

 

বাজারজাত করণ: প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য এই পণ্যের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। যেমন : বাসাবাড়ি, বিয়েবাড়ি, হোটেলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। যার ফলে বাজারজাতকরণ সহজ। যে কোনো মুদি দোকানে এর চাহিদা রয়েছে। এই পণ্যটি খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করা যায়।

 

যোগ্যতা: এই ব্যবসাটি করতে বিশেষ কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। তবে অভিজ্ঞতা দরকার আছে।

 

সম্ভাব্য লাভঃ এই ব্যবসাটি পরিচালনা করে ১০০ শতাংশ লাভ করা যায়। এক প্যাকেট টুথপিক তৈরী করতে খরচ  লাগে  ৫ থেকে ৭ টাকা । এই পণ্যটি বিক্রি করতে পারেন ১৫ থেকে ২০ টাকা ।