কিভাবে টিস্যু পেপারের শোপিস বানানোর ব্যবসা শুরু করবেন

টিস্যু পেপারের শোপিস বানানোর ব্যবসা

টিস্যু পেপারের শোপিস বানানোর ব্যবসা

টিস্যু পেপারের শোপিস বানানোর ব্যবসা

 

সৌর্ন্দয্য বাড়াতে শোপিস এর জিনিসপত্রগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যতদিন মানুষের মধ্যে সৌর্ন্দয্য কথাটি থাকবে ততদিন এই ব্যবসাটি চলতে থাকবে। বর্তমানে মানুষ তার নিজ বাড়ি ছাড়াও অফিস, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গুলোর সৌন্দর্য্য বাড়াতে চায়। বিশ্বায়নের এই যুগে এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। এই ব্যবসাটি একটি জনপ্রিয় ব্যবসা হিসেবে পরিচিত। আপনার বাড়িকে সুন্দর করতে টিস্যু পেপারের শোপিস এর বিকল্প নেই। বর্তমানে অনেক তরুণরা এই ব্যবসাটি শুরু করতে আগ্রহী। এই ব্যবসাটিতে লাভের পরিমানও অনেক।

 

ব্যবসায়ের অবস্থান: এই ব্যবসাটি আপনার নিকটস্থ বাজারে বা মার্কেটে একটি ছোট দোকানে শুরু করতে পারেন। যে কোনে মানুষের চলাচল বেশি এমন স্থানে এই ব্যবসাটি শুরু করা ভাল। এই ব্যবসার জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না।

 

সম্ভাব্য পুঁজি: এই ব্যবসার জন্য আপনাকে ২০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত পুঁিজ বিনিয়োগ করতে হবে।

 

কেন এই ব্যবসাটি শুরু করবেন: এই ব্যবসাটির চাহিদা সময়ের সাথে সাথে বেড়েই চলেছে। পৃথিবীর সকল দেশে এই ব্যবসার চাহিদা রয়েছে। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। এই ব্যবসাটির জনপ্রিয়তা অন্যান্য ব্যবসা থেকে বেশি বিধায় অনেক তরুণ উদ্যোক্তা এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য আগ্রহী। অনেক রয়েছেন যারা ঝুঁকির পরিমান বেশি বিধায় ব্যবসা করতে চান না কিন্তু  এই ব্যবসাটিতে ঝুঁকির পরিমান নেই বললেই চলে।  আপনি নিশ্চিতভাবে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

 

কি কি তৈরি করতে পারেন: এই ব্যবসায়ের পণ্যের মধ্যে রয়েছে ফুলদানী, মাছ, পেঈুইন, ফুলের টপ, পাখি, কলমদানি ইত্যাদি জিনিসপত্রগুলো আপনি তৈরি করতে পারেন।

 

কিভাবে তৈরি করবেন: আপনাকে প্রথমে টিস্যুগুলোকে পানিতে ভেজাতে হবে। তারপর এই টিস্যুগুলোতে গাম লাগাতে হবে। এবার এটিকে আপনি একটি নকশার উপর ফেলে নানা আকারের শো-পিস তৈরি করতে হবে। আপনি আপনার জিনিসগুলোকে সুন্দর করতে হলে বিভিন্ন রং ব্যবহার করতে পারেন। আর এই ভাবে আপনি টিস্যু পেপারের শোপিস তৈরি করতে পারেন।

 

বাজারজাত করণ: এই ব্যবসাটি সারা বিশ্বে পরিচিত যার কারণে আপনি বিদেশে আপনার পণ্যগুলো রপ্তানি করতে পারেন। আপনি বড় বড় শপিংমলগুলো এবং মার্কেটের দোকানগুলোর মালিকের সাথে আলাপ-আলোচনা করে আপনার ব্যবসাটিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

 

বিশেষ যোগ্যতা: এই ব্যবসাটি করতে কোনো প্রশিক্ষনের প্রয়োজন হয় না শুধু একটু আভিজ্ঞতা থাকলে চলে। এই কাজটি যে কোনো মানুষ করতে পারে।

 

 

সম্ভাব্য আয়: এই ব্যবসায়ে আয়ের পরিমান আপনার বিক্রির উপর নির্ভর করবে। যেমন : একটি কলমদানি তৈরি করতে খরচ লাগে ৩০ টাকা যখন আপনি এটি বিক্রি করতে যাবেন তখন এর দাম ৫০/১০০ টাকা। তখন আপনি সেখান থেকে ৫০ শতাংশ টাকা আয় করতে পারেন।