বিনিয়োগ কি? কেন বিনিয়োগ করবেন – বিনিয়োগের মাধ্যমে জীবন-যাপনের মান উন্নতকরন

বিনিয়োগ কি কেন বিনিয়োগ করবেন এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে জীবন-যাপনের মান উন্নতকরন

বিনিয়োগ কি কেন বিনিয়োগ করবেন এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে জীবন-যাপনের মান উন্নতকরন

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্য-প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম, চাহিদাও বাড়ছে দিন দিন। কিন্তু সমান হারে আয় কি বাড়ছে? উত্তর হলো, না! আয়ের পরিমান বাড়ছে না।

একথা যেন একদম ধ্রুব সত্য চাকুরিজীবীদের জন্য। বছরে একটি ইনক্রিমেন্ট , কোন কোন বছর তাও কপালে জোটে না অনেকেরই। ইনক্রিমেন্টর পরিমান প্রায়শই এমন হয় যে, আনন্দের বদলে চোখে আসে জল। আরো একটি বছর সেই কষ্টের মধ্যে দিয়ে আবার পথচলার চিত্রটি মুহূর্তেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

প্রতিদিনের লাগামহীন খরচের হিসাব করতে করতে আপনি যখন ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত এবং আশাহত, তখন বিনিয়োগ আপনার জন্য একটি ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প হতে পারে।

ভেবে দেখুন, কেমন হতো যদি আপনার আয়ের অনেকগুলো উৎস থাকত। শুধু একটি চাকরি বা একটি আয়ের উৎসের ওপর আপনাকে আর নির্ভর করতে হচ্ছে না?

চাকুরিজীবীদের বেতন ধরাবাঁধা। মাস শেষে নির্দিষ্ট সংখ্যক টাকা একাউন্টে ঢুকবে, এর এক টাকাও বেশি নয়। ব্যবসায়ীদের বরং অপ্রত্যাশিত আয়ের সুযোগ আছে। যদিও ঝুঁকির পরিমানও তুলনামূলক বেশি।

চাকুরিজীবীদের যেমন চাকুরি যাওয়ার ভয় আছে, ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় লস বা ধস নামার আতংক আছে। চাকুরি বা ব্যবসার সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই আছে, এ নিয়ে অনেক তর্কও আছে। তবে আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় সেটি নয়।

বিনিয়োগের কি, কেন বিনিয়োগ করবেন এবং এর মাধ্যমে আপনি কিভাবে জীবন-যাপনের মান আরো বেশি উন্নত করতে পারেন আমরা আজ সেই বিষয়ে আলোচনা করবো।

জীবন সত্যিই কঠিন। ৯-৫ টা অফিস করে মাস শেষে যে বেতন পান, খরচের তালিকার তার চেয়ে অনেক বেশি। একটি মাত্র ব্যবসার ওপর পুরো সংসার নির্ভরশীল, এই আতংকে দিন দিন আপনার প্রেসার বেড়ে যাচ্ছে।

জিনিস পত্রের দামও বাড়ছে প্রতিনিয়ত। সন্তানের স্কুলে ফিস বাড়ছে, প্রাইভেট টিচারের বেতনের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। ছোটবেলার পূরন না হওয়া সব স্বপ্ন আপনি সন্তানদের মাঝে পূরন করতে চান।

আর তাই ড্রয়িং, নাচ, গান, ক্রিকেট প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে চাইছেন। বাবা-মার বয়স বেড়েছে, তাদেরও চাই বাড়তি যত্ন। এসো-জন, বসো-জন, আপ্যায়ন, আতিথিয়তা, সামাজিক দাায়িত্ব তো আছেই।

কিন্তু আয় যে আছে, একই রকম। এমন অবস্থায করণীয় কি? খরচ কমিয়ে দেওয়া?

উপরে উল্লেখিত কোন খরচের ওপর কি আপনার নিয়ন্ত্রণ আছে?

সন্তানের জন্য পড়াশোনার বাইরে সাংস্কৃতিক চর্চাগুলো বাদ দিলে দিন শেষে আপনারই কষ্ট হবে। ভবিষৎতে খরচ আরো বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তাহলে উপায়

আয়ের বৃদ্ধি বা আয়ের উৎস বাড়ানোই এক্ষেত্রে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অভাব সবার আছে। ৩০,০০০ টাকা মাসিক আয় করেন, তার যেমন অভাব আছে, ঠিক তেমন ১০,০০০ টাকা যিনি আয় করেন, তার অভাব আছে। ভবিৎষতে দায়-দায়িত্ব, খরচ আরো বাড়বে। সুতরাং পরিকল্পনা করুন এখনই।

জীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একটি সঠিক সিদ্ধান্তই, আপনার জীবন বদলে দিতে পারে।

ক্লাস নাইনে আমাদের বিজ্ঞান, ব্যবসায়িক শিক্ষা কিংবা কলা বিভাগ থেকে একটি বেছে নিতে হয়। অর্থ্যাৎ একটি সিদ্ধান্তই আপনার ভষিৎতের পথচলা কোন দিকে হবে তার নির্দেশনা দেয়। হ্যাঁ এখানেও পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু ব্যবসায়িক শিক্ষার বা কলা বিভাগের শিক্ষার্ত্রীদের বিজ্ঞান বিভাগের কোন বিষয়ে কিন্তু সেইভাবে পড়ার আর সুযোগ থাকে না।

সুতরাং ওই ছোট বয়সেই জীবনের বড় একটি সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হয়। তাহলেই বুঝতে পারছেন সিদ্ধান্তের গুরুত্ব।

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে ভবিষৎ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত রাখবে। আবার একটি ভুল সিদ্ধান্তের পরিনাম, আপনাকেই সারা জীবন বয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে।

মাসিক ৩০,০০০ টাকায় আপনার সংসার গত একবছর ধরে চলছে, অভাব হয়তো একটু ছিল, তবে আপনাকে কারো কাছেই হাত পাততে হয় নি।

বছরের ইনক্রিমেন্ট বা ব্যবসায় লাভের কারনে আপনার আয় বেড়ে এখন ৩৫,০০০ টাকা। এখন, সেই পুরো ৩৫,০০০ টাকাই আপনি সংসারের পিছনে খরচ করবেন, না কি ২০০০ টাকা সঞ্চয় করবেন সিদ্ধান্ত আপনার। ৩৫,০০০ টাকা পুরো খরচ করলে আপনার জীবন যাপনে হয়তো একটু পরিবর্তন হবে, সহজ হবে। তবে উল্লেখ করার মত কোন পরিবর্তন হবে না।

মনে রাখবেন, কয়েকদিন আগেও আপনার সংসার ৩০,০০০ টাকায় চলছিল। আবার মাসে ২০০০ টাকা সঞ্চয় করলে আপনার বছর শেষে সঞ্চয় ২৪,০০০ টাকা। সবটাই আপনার হাতে। কেমন আপনি আছেন, ভবিৎষতে কেমন থাকতে চান তা আপনার ওপরই নির্ভর করছে।

আপনার আজকের অবস্থানের জন্য আপনার গতকাল যেমন দায়ী, আপনার আগামীকাল কেমন হবে, এর জন্য আপনার আজকের এই দিনটি দায়ী। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আয়ের একটি উৎস, কখনোই সঠিক সিদ্ধান্ত নয়্।

বিনিয়োগ কি

ল্যাটিন শব্দ ”ইনভারসিও” থেকে বর্তমান Investment শব্দটি এসেছে যার বাংলা বিনিয়োগ শব্দটি এসেছে। ভবিষৎতের মুনাফা লাভের স্থানই হল বিনিয়োগ। একটু কঠিন হয়ে গেল, তাই না?

বিনিয়োগের অনেক ভারী ভারী সংঙ্গা আছে। বিষয়টি আমরা সহজভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

ভবিষ্যতে লাভের আশায় আপনার নেওয়া বর্তমান পদক্ষেপটিই হলো বিনিয়োগ।

ধরুন, আপনি একটি গাড়ি কিনতে চান। আপনার কাছে গাড়ি কেনা বাবদ ২৬,০০,০০০ টাকা আছে। আপনি এবার ভেবে দেখুন গাড়ি কিনলে এই মুহূর্তে আমার কি কি লাভ হবে। সখ পূরণ হবে, সোস্যাল স্ট্যাস্টাস বাড়বে, চলাচলের সুবিধা হবে।

আবার গাড়ি বাবদ আপনার প্রতি মাসে কমপক্ষে ড্রাইভারের বেতনসহ তেল ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৩০,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। এখন আপনি কি করবেন?

আবার এভাবেও চিন্তা করুন, এই ২৬,০০,০০০ টাকা দিয়ে গাড়ি না কিনে আপনি যদি বিনিয়োগ করেন তবে আপনার লাভের পরিমান কত হবে? আপনি সাময়িক ভাবে সখ পূরন না করে, কিছুদিন অপেক্ষা করলে লাভের টাকা দিয়েই হয়তো গাড়িটি কিনতে পারবেন।

২৬,০০,০০০ টাকা আবার পুনুরায় বিনিয়োগ করতে পারবেন।  ভবিৎষতের লাভের জন্য বর্তমান ত্যাগস্বীকার বিনিয়োগের সাথে জড়িত।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ৪ বন্ধুর চানাচুর তৈরীর একটি ফ্যাক্টরি আছে। ফ্যাক্টরিতে ২টি মেশিন আছে এবং মার্কেটে তাদের পণ্যেরও চাহিদা আছে। এই বছর তারা ২,০০,০০ টাকা মুনাফা করলো।

হিসাব অনুসারে প্রত্যেকে লাভের অংশ হিসাবে ৫০,০০০ টাকা পাবে। কিন্তু সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে, তারা সিদ্ধান্ত নিল লাভের ১,০০,০০০ টাকা তারা পুনুরায় বিনিয়োগ করবে এবং বাকি ১,০০,০০০ টাকা তারা লাভ হিসাবে ভাগ করে নিবে।

অর্থ্যাৎ প্রত্যেকে ২৫,০০০ টাকা করে নিবে। সুতরাং ভবিষৎতের লাভের আশায় তারা বর্তমানের কিছু স্বাচ্ছন্দ্য বলিদান করল। এভাবেই বিনিয়োগ চলমান থাকে।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ মাধ্যম কি কি

১। শেয়ার বাজার

২। জমি বা বাড়িতে বিনিয়োগ

৩। ব্যবসায় বিনিয়োগ

এছাড়া সঞ্চয়পত্র, দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংক আমানত বা এফডিআর অনেকের কাছে বিনিয়োগ মনে হতে পারে তবে এরা প্রকৃত বিনিয়োগ না, এরা সঞ্চয়।

বিনিয়োগ করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ৫ টি জিনিস মাথায় রাখতে হবে

১। সময়

সময় নিয়েই আপনাকে বিনিয়োগে আসতে হবে।

বিনিয়োগ করে রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবেন, এমন স্বপ্ন দেখলে এখনই সে স্বপ্ন ভুলে যান।

পরিশ্রম এবং সময় দিয়েই আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আপনার আজকের যে আয় তার জন্য আপনি অতীতে পরিশ্রম করেছেন।

ভবিৎষতের আয়ের জন্য আপনাকে এখন পরিশ্রম করতে হবে।

তাই সময় হাতে নিয়ে আপনাকে বিনিয়োগে আসতে হবে।

সময় হাতে না থাকলে আপনাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে, সে ক্ষেত্রে ঝুঁকির পরিমানও বেড়ে যাবে।

অলস টাকা নিয়ে বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমানের কাজ।

এখন প্রশ্ন আসতেই পারে, অলস টাকা কি?

যে টাকা আপনার বর্তমানে লাগছে না, যার ওপর আপনার পরিবার নির্ভর করছে না সেটিই হল অলস টাকা। যে টাকা আগামী ১ /১.৫ বছর আপনার লাগবে না, সেই টাকা আপনি বিনিয়োগ করতে পারেন।

ঋণ করে বিনিয়োগ না করাই ভালো। এক্ষেত্রে চাপ বেড়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনাকে লাভ করার চেষ্টা করতে হবে, সুতরাং দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যবসায় কোন কিছুই বলা যায় না।

আর তাই সময় হাতে থাকলে আপনি জেনে বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ক্ষতি হলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার মত পর্যাপ্ত সময় আপনার হাতে থাকবে। সুতরাং বিনিয়োগে আসার জন্য দীর্ঘ সময়ের পরিকল্পনা করুন।

২। ধৈর্য্য

সবুরে মেওয়া ফলে। আমরা সবাই সেটা জানি। জীবনের প্রতিটি কাজেই আমাদের ধৈর্য্য ধারন করতে হয়। হতাশ হলে চলবে না। ব্যর্থতা সফলতারই অংশ। একবারেই আপনি সফল হবেন এমন না।

আবার প্রতিবারই সফল হবেন, একথাও সত্য না। বিনিয়োগ এমন একটি জায়গা, যেখানে যেকোন সময় প্রতিকুল পরিস্থিতি আসতে পারে।

তাই অধৈর্য্য হবেন না, ঘাবড়ে যাবেন না। এক্ষেত্রে আবারও বলতে হচ্ছে, আপনার কাছে পর্যাপ্ত সময় থাকলে ধৈর্য্য ধরে কাজ করলে সফলতা দেখা দিবেই।

৩। ঝুঁকি বিশ্লেষণ

বিনিয়োগ অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। চাকরি যেমন চলে যেতে পারে, ব্যবসায়ও তেমন লস হতে পারে। জীবনে চলার পথে কোথায় ঝুঁকি নেই বলুন তো?

ঝুঁকি সব জায়গায় আছে। রাস্তায় বের হলে দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে। তাইু বলে কি আমরা রাস্তায় বের হব না?

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে গেলে আমি কি আর রাস্তায় যাব না? আমার জীবন কি থেমে থাকবে? উত্তর হল, না!  থেমে থাকবে না।

তাহলে আমাকে কি করতে হবে? সতর্ক হতে হবে।

পথ চলার সময় সচেতন থাকতে হবে।

বিনিয়োগও তেমন।

আপনাকে ঝুঁকি পর্যালোচনা করতে হবে এবং সেই ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কতটুকু ক্ষতি আপনি সহ্য করতে সক্ষম বা কতটুকু ক্ষতি হলে আপানর স্বাভাবিক জীবনে তার প্রভাব পড়বে না সেটি নিয়ে বিস্তারিত ভাবুন।

সঞ্চয়ের সব টাকা বা ঋণের টাকা বিনিয়োগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৪। আত্নবিশ্বাস

নিজের ওপর আস্থা রাখুন। আপনি আপনার জীবনের জন্য কোনটি সঠিক, সেটি আপনিই জানেন এবং সেই অনুসারেই আপনি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এ বিশ্বাস নিজের ওপর রাখুন।

পরামর্শ করুন তবে অন্ধ অনুকরণ করবেন না। ভাল করে ভাবুন, আপনি কি করছেন এবং তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

ফলাফল খারাপ হলে আশা হারাবেন না।

ঘুরে দাড়ানোর জন্য আপনি যথেষ্ট শক্তির অধিকারী, একথা নিজে বিশ্বাস করুন।

আত্নবিশ্বাস মানুষ সবসময়ই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে এবং কখনোই হেরে যায় না।

৫। জ্ঞান

জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই। আপনি যে বিষয় নিয়ে কাজ করছেন সেই বিষয়ে আপনার জ্ঞান থাকাটা জরুরী।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার কথা বলছি না। আপনার সেই বিষয়ে জানাটাই হল সবচেযে বড় কথা।

বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে পুরো পৃথিবী হাতের মুঠোয়। সুতরাং চাইলে আপনি যে কোন বিষয়ে, যেকোন সময়েই শিখতে পারেন।

এক্ষেত্রে আরো একটি বিষয় বলে রাখতে চাই। জানার কোন শেষ নেই।

তাই সবসময় নিজেকে আপডেট রাখার চেষ্টা করবেন। নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহ করবেন, আলোচনা করবেন। জ্ঞানের পরিধি বাড়বে।

বিনিয়োগ নিয়ে অনেকেরই নেতিবাচক ধারণা আছে। সকলে চাই নিশ্চয়তা। কিন্তু জীবনে নিশ্চিত বলে আসলেই কি কিছু আছে?

আপনি আমার এই লেখা যখন পড়বেন, তখন আমি এই দুনিয়াতে থাকবো কি না তারই কোন নিশ্চয়তা নেই। তাহলে? আবার কতদিন বাঁচবো সেটা জানি না বলেই কি কোন কাজ না করে বসে থাকব? এমন নিশ্চয় নয়।

ভবিষৎ আপনি আমি কেউ জানি না। ভাল হতেও পারে, নাও হতে পারে। তাই আগাম প্রস্তুতি নেওয়াটাই ভাল।

বীমা করা মানুষগুলো নিশ্চয় চায় না অসুস্থ হতে, হাসপাতালের খরচ করতে। ভবিৎষতে কি হবে সেটা জানে না বলেই মানুষ আগাম প্রস্ততি নেয়।

সময় থাকতেই তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। নিজের জীবনকে গুছিয়ে নিতে আপনাকেই এগিয়ে আসতে হবে। কঠিন হলেও সত্যি যে, আপনার সফলতার ভাগীদার অনেকে হলেও ব্যর্থতার অংশীদার কেউ হতে চাইবে না। বিনিয়োগ নিয়ে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে বেশ কিছু ভিডিও আছে। দেখার আহবান জানাচ্ছি – Bangla Preneur