করলা খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

করলা খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ (Health Benefits of Bitter Gourd) 

করলা খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

করলা খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

করলা খুবই পুষ্টিকর ফল জাতীয় সবজি। স্বাদে তিতা হলেও করলা খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। প্রথমত, করলা রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক সাহায্য করে থাকে। অর্থাৎ রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেয় না। এরজন্য প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় একজন ডায়াবেটিস রোগীকে করলা খেতে বলা হয়ে থাকে।

 

করলায় বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদানের মধ্যে রয়েছে যেমন-  কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, প্যান্টোথেনিক এসিড, ম্যাগনেসিয়াম। 

 

করলার থাকা ভিটামিন এ আমাদের ত্বককে (skin) সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সেই সাথে আমাদের চোখ ভাল রাখতে সাহায্য করে। 

 

করলায় থাকা ভিটামিন সি সর্দি কাশি মত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এই ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। করলায় থাকা ভিটামিন সি আমাদের চুলকে ভালো রাখতে সাহায্য করে, বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে অর্থাৎ বয়স বেড়ে গেলে চামড়া ঝুলে যাওয়া থেকে প্রতিহত করে। 

 

আমাদের মধ্যে অনেকের বদহজমের সমস্যা রয়েছে। এই বদহজম সমস্যা সমাধানে করলার জুড়ি নেই। 

 

করলার রয়েছে লাইকোপেন নামক এক ধরনের উপাদান যা ক্যান্সার প্রতিরোধী হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ ক্যান্সারের জন্য যে কোষগুলো তৈরি হয় তাদের বিপক্ষে করলা কাজ করে থাকে। তাছাড়া করলা ওজন নিয়ন্ত্রণে বেশ ভালো কাজ করে। 

 

যাদের হাইপারটেনশন রয়েছে, হার্টের প্রবলেম রয়েছে, ডায়াবেটিক রয়েছে তারা নিঃসন্দেহে করলা খেতে পারেন। করোলা যেমন ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে ঠিক তেমনি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। 

 

আপনি জেনে অবাক হবেন, করলা জীবাণু নাশক হিসাবেও কাজ করে। ক্ষতস্থানের উপরে করলা পাতার রসের প্রলেপ দিলে কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষত শুকিয়ে যায়। খাবারে অরুচি দেখা দিলে করলা খেতে পারেন। 

আরোও পড়ুন – জামরুলের উপকারিতা 

লেবুর উপকারিতা 

 

আমাদের রক্তে থাকা দূষিত পদার্থ করলা বের করে দেয়। এছাড়াও যাদের অ্যালার্জি জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের খাদ্যতালিকায় আজকে থেকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন এই পুষ্টিকর করলা।