ছোট ও মাঝারি বিনিয়োগে ২০২১ সালের জন্য ২১টি লাভজনক বিজনেস আইডিয়া

ছোট ও মাঝারি বিনিয়োগে ২০২১ সালের জন্য ২১ লাভজনক বিজনেস আইডিয়া

কোভিড ১৯ সহ নানা কারনে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ২০২০ সালটি মোটেই ভালো যায় নি। শুধুমাত্র নতুন উদ্যোক্তা কেন পুরাতন উদ্যোক্তাদের জন্যও একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল ২০২০ সালটি। ২০২১ সাল নতুন একটি বছর, নতুন সম্ভাবনা, নতুন আশা এবং সর্বোপরি নতুন করে আবার ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করতে হবে।

বিজনেস আইডিয়া বা ব্যবসার ধারনা যে কোনো ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ। আপনার কাছে যদি একটি লাভজনক বিজনেস আইডিয়া থেকে থাকে তবে তা যাচাই বাছাই করতে হবে।

বিজনেস আইডিয়াটি নিয়ে পরিবারের সদস্য, বিশস্ত বন্ধু বান্দবদের সাথে আলাপ আলোচনা করতে হবে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া পজিটিভ কিংবা নেগেটিভ দিকগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।

এছাড়া ব্যবসাটি প্রতিষ্ঠা করতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মার্কেট রিসার্চ করে নিতে হবে। আপনার ব্যবসার মাধ্যমে গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন তা নিশ্চিত করতে হবে। আপনাকে ব্যবসা নয়, গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান করতে হবে।

আসুন ছোট ও মাঝারি বিনিয়োগে ২০২১ সালের জন্য ২১ লাভজনক বিজনেস আইডিয়া খুঁজে বের করি।

#১। ফার্মেসী ব্যবসা

ফার্মেসী ব্যবসা একটি সেবামূলক ব্যবসা। এই ব্যবসার মাধ্যমে মানুষকে সেবা দিতে পারবেন এবং তার সাথে নিজেও লাভবান হতে পারবেন। ফার্মেসী ব্যবসা শুরু করার জন্য মাঝারী মানের পুঁজিই যথেষ্ট।

বাংলাদেশে এক লক্ষ এক হাজার এর বেশী ফার্মেসী দোকান আছে। যার মার্কেট সাইজ ১০ হাজার কোটি টাকার উপর। এই ব্যবসার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে এবং চাহিদা কমার কোনই সুযোগ নেই।

তাই অনেক বেশী প্রতিদ্বন্দ্বী বেড়ে যাওয়ার আগে ব্যবসার জন্য একটি উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করে শুরু করতে পারেন আপনার নিজের ফার্মেসী ব্যবসা।

হাসপাতাল কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে কিংবা লোকসমাগম বেশি হয় এমন কোনো আবাসিক এলাকায়, কিংবা দুই বা ততোধিক রাস্তার মোড়েও ফার্মেসী দোকান খোলা যেতে পারে। তবে সঠিক ট্রেনিং এবং ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া আপনি এই ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন না।

#২। বাইসাইকেল ও ই-বাইক ব্যবসা

বাইসাইকেল তরুনদের কাছে খুবই জনপ্রিয় থাকলেও বর্তমানে যুবকদের কাছেও বাইসাইকেল বেশ জনপ্রিয়।

আমাদের দেশের বর্তমান পেক্ষাপটে বিশেষ করে শহর অঞ্চলে ট্রাফিক জ্যাম ও নানামুখী সমস্যার সমাধান হতে পারে একটি বাইসাইকেল কিংবা একটি ই-বাইক।

ই-বাইক সারা বিশ্বে বেশ জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশে জনপ্রিয়তা এখনও কিছুটা কম। তাই খুব বেশী প্রতিযোগীতা বাড়ার আগে এখনই সময় এই বিভাগে নিজের ব্যবসাকে দাড় করানোর।  

#৩। ছোট আকারে সুপার শপ

একটি অন্যতম সেরা বিজনেস আইডিয়া এই সুপার শপ ব্যবসা। বড় আঁকরের সুপার শপ ব্যবসায় বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। আপনি চাইলে ছোট স্থানে ছোট আকারে নিজের সুপার শপ ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

বর্তমানে অনেক স্মার্ট উদ্যোক্তা এই ব্যবসাটি শুরু করতে আগ্রহী। এই ব্যবসায় সফলতা পেতে চাইলে সঠিক স্থান নির্বাচন, গ্রাহকদেরকে ভালো সেবা প্রদান এবং পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে।

#৪। খাবার হোটেল ব্যবসা

সাধারনত রেস্টুরেন্ট ব্যবসাগুলোতে মোটামুটি বড় বিনিয়োগ করতে হয়, অন্যদিকে একটি খাবার হোটেল ব্যবসায় তুলনামূলক কম বিনিয়োগে শুরু করা যায়।

খাবার হোটেলগুলোতে সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা এবং রাতের খাবারের ব্যবস্থা রাখতে হয়।

হোটেলের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা এই ব্যবসাকে সফল করতে পারে। এছাড়া কোন শ্রেনীর মানুষ আপনার গ্রাহক হবে তা বুঝে এই ব্যবসায় নামতে হবে।

মানসম্মত খাবার, ভালো গ্রাহক সেবা, এবং তুলনামূলক কম দাম এই ব্যবসার সফলতার মূল চাবিকাঠি।  

#৫। মা ও শিশুর দরকারি পণ্যের দোকান

আমাদের দেশে এই ব্যবসাটি এখনও বেশী জনপ্রিয়তা পায়নি তবে এই বাজার অনেক বড়। গর্ভবতী মা এবং সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর যাবতীয় পণ্য নিয়ে একটি দোকানের মাধ্যমে এই ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে।

বিশেষ করে হাঁসপাতাল এলাকায়, বিভিন্ন শপিংমলে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। এছাড়া বাড়তি গ্রাহক পেতে অনলাইনে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন করতে পারেন।  

#৬। সেলুন ব্যবসা

এই ব্যবসাটি একটি নির্দিষ্ট এলাকা ভিত্তিক ব্যবসা। সেলুন ব্যবসা একটি ইউনিক ব্যবসা না। যুগ যুগ ধরে এই ব্যবসাটি চলে আসছে। এই ব্যবসায় সফলতার হার অনেক ভালো।

মূলত এই ব্যবসাটি তখনই ব্যর্থ হয় যখন ব্যবসার মালিক ভালো কারিগর ধরে রাখতে না পারে। এছাড়া সেলুনের সুন্দর ডেকারেশন, ভালো গ্রাহক সেবা এবং একটি আদর্শ স্থান এই ব্যবসাকে সফল করতে পারে।

বর্তমানে সেলুন ব্যবসায় দ্রুত সফল হতে চাইলে কার্যকারী মার্কেটিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।

#৭। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ হতে পারে আপনার জন্য আয়ের দ্বিতীয় একটি রাস্তা। যে কোনো ব্যবসায় ঝুঁকি আছে এবং শেয়ার বাজারের বেলায় ঝুঁকি কিছুটা বেশী এবং অন্য যে কোনো ব্যবসার চেয়ে লাভও বেশী করা যেতে পারে।

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের আগে আপনার বর্তমান আর্থিক অবস্থা বুঝে বিনিয়োগ করতে হবে। এমন টাকা বিনিয়োগ করা উচিত যা কমপক্ষে ১ বছরের মধ্যে আপনার দরকার হবে না।

ঝুঁকি কমাতে সব টাকা একসাথে বিনিয়োগ না করে আস্তে আস্তে বিনিয়োগ করতে হবে এবং তুলনামূলক খারাপ কোম্পানির শেয়ার কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।

#৮। অনলাইন কাস্টম ফার্নিচার ব্যবসা

সাধারনত ফার্নিচার ব্যবসায় বড় একটি দোকানে নানা ধরনের ফার্নিচার সাজানো থাকে এবং গ্রাহক তার পছন্দ অনুযায়ী ফার্নিচার কিনে থাকে।

আপনি যদি চান তবে এই রকম দোকান ব্যবসার পাশাপাশি অনলাইনে কাস্টম ফার্নিচার ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

অনলাইনে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে নানা ধরনের ফার্নিচার ডিজাইন পোঁছাতে হবে এবং গ্রাহক তার পছন্দ অনুযায়ী ডিজাইন সাজিয়ে ফার্নিচার অর্ডার করবে।

নিজের যদি কারখানা না থাকে তাহলে অন্য কোনো কারখানা থেকে ফার্নিচার বানিয়ে গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা যেতে পারে। এই ব্যবসাটি শুরু করা কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও এর ভবিষ্যৎ ভালো হতে পারে।

#৯। ছাগল পালন ব্যবসা

সঠিকভাবে খামার পরিচালনা করতে পারলে গরুর খামার কিংবা মুগরির খামারের চেয়ে ছাগল পালনে লাভবান বেশী হওয়া সম্ভব। ছাগলের বাসস্থান কোন বিশেষ উপায়ে বানাতে হয় না বিধায় খুব সহজেই ছাগল পালন ব্যবসা করতে পারেন।

এছাড়া অন্য প্রানী যেমন গরুর সাথে ছাগলের ব্যবসা করতে পারেন, তবে আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে।

তুলনামূলক ভাবে অল্প জায়গায় ছাগল পালন শুরু করা যেতে পারে এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য বুঝে আস্তে আস্তে খামারের আকার বড় করা যেতে পারে।

#১০। বাচ্চাদের জন্মদিন পরিকল্পনা

অনেক বাবা মা তাদের সন্তানদের জন্মদিন মনে রাখার মত করে করতে চায়। বিভিন্ন প্যাকেজ সাজিয়ে এই ছোট ব্যবসাটি করতে পারেন।

মূলত এই ব্যবসায় তেমন কোন বড় বিনিয়োগের দরকার হয় না। তবে গ্রাহক পেতে বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা খরচ করতে হবে।

জন্মদিন পরিকল্পনার মধ্যে বিভিন্ন কুইস, খেলা, সহজ ধাঁধা ও উত্তর রাখতে পারেন। এছাড়া ছবি, ভিডিও সেবা রাখা যায়।

#১১। ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করুন

একটি ওয়েবসাইট বা একটি ব্লগ হতে পারে আয়ের অন্যতম সেরা একটি মাধ্যম। ওয়েবসাইটে মূলত ইনকাম নির্ভর করে তার জনপ্রিয়তার উপর। আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশী ভিজিটর আসবে ততই আপনার ইনকাম বাড়বে।

ওয়েবসাইট থেকে নানা উপায়ে ইনকাম করা যায়। যেমন, গুগল এডসেন্স ইনকাম, অন্য এড নেটওয়ার্ক থেকে ইনকাম, সরাসরি কোম্পানির বিজ্ঞাপন, এফিলিয়েট মার্কেটিং, নিজের পণ্য বিক্রি সহ নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়।

#১২। Landscaping Business

এই ব্যবসায় সব থেকে বেশী যা দরকার তা হলো সৃজনশীলতা। বাড়ির উঠান, বারান্দা কিংবা বাড়ির পিছন সাজানোর জন্য Landscape Designer এর দরকার হয়। বর্তমানে অনেক বাড়ির মালিক এই বিষয়ে খুবই যত্নশীল।

Landscape Designer হিসাবে সফল হতে চাইলে প্রথমে আপনার কাছের মানুষদের কাজ করে sample বানাতে পারেন এবং সেই sample দেখেয়ি অন্য গ্রাহকদেরকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

এই ব্যবসাটি অবশ্যই একটি লাভজনক ব্যবসা তবে গ্রাহক পেতে মার্কেটিং এ কিছু টাকা খরচ করার বিকল্প নেই।

#১৩। বিবাহের ফটোগ্রাফার

ফটোগ্রাফি ব্যবসা আমাদের দেশে খুবই দ্রুত গতিতে বেড়েই চলছে। বিবাহের ফটোগ্রাফিকে একটি স্বাধীন পেশা হিসাবে গ্রহন করতে পারেন।

বর্তমানে এই রকম কোনই বিবাহ অনুষ্ঠান পাওয়াই যায় না যেখানে ফটোগ্রাফার থাকে না।

এই পেশাটি যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের এবং প্রাথমিক অবস্থায় গ্রাহক পেতে বেশ কষ্ট করতে হবে।

আপনার তোলা সেরা কিছু ছবি এবং ভিডিও করে সোসাল মিডিয়ায় প্রচার করতে পারেন, এতে নতুন গ্রাহক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

#১৪। বাড়ি ঘর রঙ করানোর এজেন্সি

একটি লাভজনক ব্যবসা হতে পারে বাড়ি ঘর রঙ করানোর এজেন্সি। নতুন বাড়ী বানালে সাধারনত রঙ করানো হয়।

এছাড়া ৪/৫ বছর পর পর বাড়ি ঘর রঙ করার দরকার হয়। বাড়ীর মালিকের জন্য রঙের মিস্ত্রি খুঁজে বের করা কষ্টসাধ্য এবং তাদেরকে দিয়ে কাজ করানো কিছুটা জামেলার।

তাই এই সমস্যাকে সমাধান দিতে পারেন আপনি। বাড়ি-ঘর রঙ করার এজেন্সি খুলে দক্ষ লোক নিয়োগ দিয়ে এই ব্যবসা চালাতে পারেন।

বাড়ির মালিক সরাসরি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং আপনার কর্মচারী রঙের কাজ করবে। ব্যবসাটি ভালোভাবে চালাতে পারলে লাভবান হওয়া সম্ভব। প্রথম দিকে গ্রাহক পেতে আপনাকে মার্কেটিং করতে হতে পারে।

#১৫। মোটরসাইকেলের সকল পণ্য বিক্রির দোকান

আমাদের দেশে মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি চান তবে মোটরসাইকেলের যাবতীয় সকল পণ্য নিয়ে একটি দোকান ভাড়া করে এই ব্যবসাটি করতে পারেন।

মোটরসাইকেলের হেলমেট থেকে শুরু করে নাট-বল্টু সবই পাওয়া যাবে আপনার দোকানে। গ্রাহক যদি জানতে পারে আপনার দোকানের মোটরসাইকেলের সকল দরকারি জিনিস পাওয়া যায় তবে সে আপনার দোকানে অবশ্যই আসবে।

কেননা এই রকম খুব কম দোকান আছে যেখানে মোটরসাইকেলের সকল পণ্য পাওয়া যায়। তাই ভালো লোকেশন ঠিক করে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসাটি।

#১৬। স্টেশনারি দোকান

স্টেশনারি পণ্যে শতকরা ১২ থেকে ৩০ ভাগ বা তার আরো বেশী লাভ হয়ে থাকে। স্টেশনারি ব্যবসার পণ্যে সাধারনত মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এই রকম চিন্তা নেই। ছোট দোকানে স্টেশনারি ব্যবসা শুরু করা যায়।

এছাড়া স্টেশনারি পন্যের সাথে মোবাইল রিচার্জ, বিকাশ সহ অন্য ব্যবসা করা যায়, যার লাভ দিয়ে অনায়াসে দোকান ভাড়া দেওয়া যেতে পারে।

এই ব্যবসায় সফল হতে হলে অব্যশই একটি ব্যাস্ত জায়গায় দোকান নিতে হবে। আসে পাশে স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, অফিস আছে এই রকম জায়গা স্টেশনারি দোকানের জন্য উপযোগী।

#১৭। একসাথে হাঁস ও মাছ চাষ

একটি পুকুর বা ঘেরে একসাথে হাঁস ও মাছের চাষ হতে পারে অন্যতম লাভজনক একটি ব্যবসা। মুরগির ডিমের চেয়ে হাঁসের ডিমের চাহিদা বেশী এবং মাছের চাহিদা সব সময়ই থাকে।

একসাথে হাঁস ও মাছ চাষ করলে উভয়ের জন্যই ভালো। হাঁস পানিতে সাঁতার কাটবে যা পানির মধ্যে অস্কিজেন বাড়াবে এবং হাঁসের বাড়তি খাবার মাছের খাবার হিসাবে কাজ করবে।

#১৮। প্রি-স্কুল

আপনি যদি ছোট বাচ্চাদের সাথে সময় পার করার পাশাপাশি একটি ব্যবসা করতে চান হবে শুরু করতে পারেন প্রি-স্কুল। একটি প্রি-স্কুলে সাধারনত ৩ থেকে ৫ বছরের বাচ্চারা খেলতে খেলতে নানা জিনিস শিখে, যা তাদের পরিবর্তী স্কুল জীবনে কাজে লাগে। প্রি-স্কুলের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

#১৯। কসমেটিকস ব্যবসা

একটি দোকান ভাড়া করে শুরু করতে পারেন কসমেটিকস ব্যবসা। এছাড়া বর্তমানে দোকান ভাড়া ছাড়াও আপনি অনলাইনে আপনার পন্য বিক্রি করতে পারেন।

এই ব্যবসায় লাভও প্রচুর। তবে সমস্যা হচ্ছে Product এর কোয়ালিটি নিয়ে। যদি দীর্ঘ মেয়াদী ব্যবসা করতে চান, গ্রাহকদেরকে ধরে রাখতে চান তবে ভালো কোয়ালিটি সম্পন্ন Product এর কোনো বিকল্প নেই।

#২০। জুতার দোকান ব্যবসা

জুতার দোকান ব্যবসা অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় এবং ব্যবসা বুঝে এর পরিধি বাড়ানো যায়। এছাড়া কর্মচারি নিয়োগ দিয়ে চাকরির পাশাপাশি পার্ট-টাইম ব্যবসা হিসাবে গ্রহন করতে পারেন। সাধারনত জুতার দোকান একটু ধীরগতির ব্যবসা হলেও ঝুঁকির পরিমান খুবই কম।  

#২১। জিম ব্যবসা

স্বাস্থ্যই সম্পদ! এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু করুন জিম বা ব্যায়ামাগার ব্যবসা। নিজ এলাকা বা যেকোনো ঘনবসতি এলাকায় একটু বড় স্পেস ভাড়া নিয়ে ব্যায়ামাগার খুলতে পারেন। গ্রাহক সাধারনত মাস হিসাবে আপনার জিমে টাকা প্রদান করবে। এছাড়া ভর্তিতে এক কালীন কিছু টাকা ধার্য করতে পারেন। ব্যায়াম করানোর জন্য দক্ষ লোক নিয়োগ দিতে হবে।