সুখী হওয়ার মানসিকতা আপনাকে সুখ দিবে

সুখী হওয়ার মানসিকতা আপনাকে সুখ দিবে

সুখী হওয়ার মানসিকতা আপনাকে সুখ দিবে

সুখী হওয়ার মানসিকতা আপনাকে সুখ দিবে

জীবনে সফল হতে হলে শুধুমাএ টাকা পয়সা লাগে বিষয়টা কিন্তু এ রকম নয়। টাকা পয়সার পাশাপাশি দরকার জ্ঞান, মানসিক সুখ, সামাজিক অবস্থা ও মানুষের ভালবাসা। মানুষের চিন্তার মধ্যে তার পরিচয় পাওয়া যায়।

 

সফলতার একটি অংশ মানসিক সুখ শান্তি। তবে এই সুখ নিরাকার – একমাএ মানুষের মনেই এর জায়গা। মানসিক শান্তি আসলে একটি অনুভূতি ছাড়াই আর কিছুই নয়।

 

আপনি যদি নিজেকে সুখী মনে করতে পারেন, তবেই আপনি সুখী। বিষয়টা অনেক হাল্কা মনে হলেও এটাই সত্য। আপনি যদি নিজেকে সুখী মনে না করেন তবে গোটা দুনিয়া আপনার কাছে নিয়ে আসলেও সুখী হতে পারবেন না।

 

আমরা কি চিন্তা করি সেটাই সবচেয়ে বড় কথা। আমাদের সম্পর্কে কে কি ভাবছে তা মোটেই মুখ্য বিষয় নয়। আমাদের চিন্তা করার শক্তিই আমাদের জীবন। আমরা যে যেমন চিন্তা করব তেমনটাই ঘটবে।

 

যেমন ধরুন আপনি যদি সারাক্ষান দুঃখের কথা চিন্তা করেন তবে আপনার দুঃখ বাড়া ছাড়া কমবে না। সব সময় ভয়ের কথা চিন্তা করলে ভয় আরো বাড়বে, ঠিক তেমনি অসুখ বিসুখ নিয়ে দুশ্চিন্তা করলে অসুস্থ হওয়া সম্ভাবনা আরো বাড়বে।

 

চিন্তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে। আমরা আমাদের দরকারে চিন্তা করবে তবে দুশ্চিন্তা করব না। দুশ্চিন্তা আসলে অর্থহীন গোলক ধাঁধা এবং অন্যদিকে সুন্দর চিন্তা প্রতিভার বিকাশ ঘটায়।

 

জীবনে সুখ শান্তি পেতে মনের ভূমিকাই প্রধান। আমরা সবাই নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে চিনি। তিনি এতটাই প্রভাবশালী ছিলেন যে কোন কিছুর তার কমতি ছিল না।

 

১৮০৪ সালে নেপোলিয়নকে “সম্রাট নেপোলিয়ন” উপাধি দেওয়া হয়। সেন্ট হেলেনায় নির্বাসিত হিসেবে অবস্থানকালে জেনারেল গরগারডের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নেপোলিয়ন বলেন “জীবনে এত কিছু পেলাম কিন্তু সারা জীবনে দুটো দিনের জন্য সুখ পাইনি”। এক বার ভাবুন তো এত বড় বীর যিনি কিনা ষাটটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল কিন্তু তার কপালে সুখ জোটেনি। আরোও পড়ুন – বড় স্বপ্ন দেখতে ভয় পাবেন না

 

এবার আরেক জনের কথা বলি, তিনি হেলেন অ্যাডামস কেলার, যিনি বাক, শ্রবণ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধিত্ব ছিলেন। একই সাথে লেখক, রাজনৈতিক কর্মী, ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। এই ভ্রদ্রমহিলার কাছে জীবনটা ছিল মধুর।  

 

আমাদের জীবনে যত ভাল কিছুই ঘটে না কেন আমরা সুখী হতে পারি না। আমরা তখনই সুখী হতে পারব যখন আমাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন ঘটবে।

 

আপনার দুঃখ কষ্ট যতই গভীর হোক, ইচ্ছা করলেই আপনার মতামত ও বিশ্বাসের পরিবর্তন করতে পারেন। তবে হুট করেই আমাদের মতামত ও বিশ্বাস পরিবর্তন করতে পারব না। আমাদের যুদ্ধ করতে হবে, এই যুদ্ধ অন্যের সাথে না, এই যুদ্ধ নিজের সাথে। – কে এম চিশতি সিয়াম // ইউটিউব থেকে