যে ৪ টি উপদেশ কাউকে না দেওয়াই ভালো

যে ৪ টি উপদেশ কাউকে না দেওয়াই ভালো

যে ৪ টি উপদেশ কাউকে না দেওয়াই ভালো

যে ৪ টি উপদেশ কাউকে না দেওয়াই ভালো

উপদেশ দেওয়া একটি ভাল কাজ, কিন্তু সব সময় নয়। জীবনে পুরোপুরি সফল এমন কিছু মানুষের সাথে আমাদের প্রায় সবারই কম বেশী পরিচয় থাকতে পারে। তারা সফল কর্মজীবন, সুখী দাম্পত্য জীবন সহ একটি উপভোগ্য ও আয়েশী জীবন কাটিয়ে যাচ্ছেন। চাইলে আপনিও এমন একটি জীবন গড়ে তুলতে পারেন।

কিন্তু এমন জীবন পেতে হলে আপনার উপদেশ কিংবা পরামর্শের দরকার হতে পারে। এমন অনেকেই আছেন যারা উপদেশ দেওয়ার বেলায় খুবই পটু। তবে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এমন অনেক উপদেশ শুনতে হয় যা মন খারাপ করে দিতে পারে। এখানে আমরা তেমন কিছু উপদেশ বাণীর বিষয়ে আলোচনা করব।

অনেক হয়েছে এবার চাকুরীটা ছেড়ে দাও, যা ভালো মনে করো তাই করো

অনেক সময় অনেকেই তার কর্ম জীবন নিয়ে পেরেশানিতে থাকে। আর সে সময় তাকে এই পরামর্শ দিলে তার কাছে ভালই লাগবে। কিন্তু জীবিকা নির্বাহের জন্য যে পরিমাণ অর্থ লাগে তা যা ইচ্ছা তাই করে আয় করা সম্ভব নাও হতে পারে।

আপনার পরামর্শ অনুযায়ী যদি সে চাকুরী ছেড়ে দেয় আর ছেড়ে দেওয়ার পর যদি ভালো কিছু করতে না পারে, তাহলে তার জন্য জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই এই ধরনের পরামর্শ না দেওয়াই উত্তম। পড়ুন – অবসর জীবনের জন্য আর্থিক পরিকল্পনা করবেন যেভাবে

সে আসবে, ধৈর্য্য ধরো

প্রিয় বন্ধু বা বান্ধুবীর যে কোন অসহ্য বা খারাপ মুহূর্তে আমরা সবাই কিছু স্বান্তনা বাণী নিয়ে উপস্থিত হই। বিশেষ করে সে বন্ধু বা বান্ধুবীটি যখন প্রেম ঘটিত সমস্যায় ভুগেন তখন স্বান্তনা দেওয়াটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে যায়। স্বান্তনা দিতে গিয়ে আমরা অসম্ভব আশাব্যঞ্জক কিছু বলে ফেলি।

কিন্তু আশাব্যঞ্জক কথা গুলো যদি মিথ্যা হয় তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই এমন কথা না বলে চুপ থাকাই উত্তম।

সন্তান নাও তাহলে তোমার অন্য রকম ভালো লাগবে

বাবা কিংবা মা হওয়ার পর মানুষ নতুন জীবন এবং পরিচয় লাভ করে। এটি বিশেষ করে নারীদের ক্ষেএে বেশী প্রযোজ্য বলে ধরা হয়। কিন্তু সব নারীই মাতৃত্বের স্বাদ তাড়াতাড়ি গ্রহণ করতে চান না।

সন্তানের মা হওয়ার চেয়ে অন্য কিছু তাদের কাছে জরুরী বলে বিবেচিত হতে পারে। তাই এই ধরনের নারীকে এই সব কথা না বলাই শ্রেয়।

বিয়ে, সন্তান, সমাজ নিয়ে মানসিকতা বদলে যাবে

বহু মানুষ প্রচলিত অনেক বিষয়ের সথে মানিয়ে নিতে পারে না। আর সেটা প্রচলিত সামাজিক রীতি নীতির বিরুদ্ধেও হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে তাকে খারাপ বলে মনে করা যাবে না।

তাই তাকে বুঝানোই সর্বোŤকৃষ্ট পন্থা। কিন্তু যদি আপনি বুঝতে পারেন যে তাতেও তার বিশ্বাস বদলে যাবে না তাহলে তার চিন্তা ধারার প্রতি সম্মান দেখিয়ে কিছু না বলাই উত্তম হবে। কিছুতেই তাকে বলতে যাবেন না যে এসব সম্পর্কের ফলে তার মানসিকতা বদলে যাবে।