অল্প পুঁজিতে কিভাবে মুড়ি চিড়া ব্যবসা করা যায়

মুড়ি চিড়া ব্যবসা

অল্প পুঁজিতে কিভাবে মুড়ি চিড়া ব্যবসা করা যায়

অল্প পুঁজিতে কিভাবে মুড়ি চিড়া ব্যবসা করা যায়

যারা অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা খুজছেন তাদের জন্য মুড়ি চিড়া ব্যবসা। মানুষের কাছে ভাতের পাশাপাশি মুড়ি চিড়া মুখরোচক খাবার হিসেবে পরিচিত। প্রতি মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে নতুন ধান কাটার পর পিঠা তৈরীর পাশাপাশি মুড়ি, চিড়া ভাজার জন্য ধুম পরে যায়। গ্রামের পাশাপাশি শহরেও এর প্রভাব দেখা যায়। গ্রামের বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নের জন্য মুড়ি চিড়ার ব্যবহার হয়ে থাকে।

রোজার সময় ইফতারিতেও মুড়ি, চিড়া একটি জনপ্রিয় খাবার হিসেবে পরিচিত। অনেক কম সময়ে এবং কম খরচে মুড়ি, চিড়া ব্যবসাটি শুরু করা যায়। বাংলাদেশে ছোট বড় সবার কাছে মুখরোচক খাদ্য হিসেবে মুড়ি ও চিড়ার চাহিদা রয়েছে। ভাতের বিকল্প নাস্তা হিসেবে মুড়ি, চিড়ার চাহিদা অনেক। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় মুড়ি ও চিড়ার সাথে গুড় মিশিয়ে মুড়ি ও চিড়ার মোয়া তৈরী করে বিক্রি করা হয়।

কেন শুরু করবেন মুড়ি চিড়া ব্যবসা

অল্প পুঁজি ব্যয় করে এই ব্যবসাটি শুরু করে অনেক টাকা আয় করা যায়। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। যে কোনো উদ্যোক্তা এই ব্যবসাটি শুরু করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। সবার কাছে একটি জনপ্রিয় খাবার হিসেবে মুড়ি ও চিড়ার মোয়া পরিচিত। আম কাঠাল দিয়ে মুড়ি ও চিড়া মিশিয়ে খাবারের মজাই আলাদা।

মুড়ি ও চিড়ার মোয়া অনেক দিন ভালো থাকে বিদায় এগুলোকে সরাসরি ফেরি করে বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। গ্রামাঞ্চলের নারীরাও এই ব্যবসাটি শুরু করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। এছাড়া মুদি দোকানেও মুড়ি ও চিড়ার মোয়া সরবরাহ করা যায়।

কোথায় শুরু করবেন মুড়ি চিড়া ব্যবসা

যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো এবং মানুষের চলাচল বেশি এমন জায়গাতে এই ব্যবসাটি শুরু করা ভালো। বাজারে বা মার্কেটের পাশে ছোট একটি দোকানে এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। নিজে চাইলে বাড়িতেও এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

কিভাবে শুরু করবেন মুড়ি চিড়া ব্যবসা

খুব সজজেই এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। প্রথমে চালগুলোতে একটু পানি আর লবন দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর চুলার উপর পাত্রের মধ্যে বালি দিয়ে চালগুলোকে ভাজতে হবে। তারপর লোহার ছাকুনি দিয়ে গরম বালটিতে ঢেলে নিয়ে ঝাঁকিয়ে নিলেই মুড়ি তৈরী হয়ে যাবে। চিড়া ভাজার কাজটি মেশিনের মাধ্যমে করা হয়। চিড়া ভাজার আগে একদিন পানিতে ধান ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর মেশিনে দিয়ে চিড়া তৈরী করা হয়। এই ভাবে মুড়ি ও চিড়া ভাজার কাজটি শুরু করা যায়।

সম্ভাব্য বিনিয়োগ কত লাগতে পারে

মুড়ি চিড়া ব্যবসা শুরু করতে বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না। মাত্র ১৫ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করলে এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়।

কিভাবে বাজারজাত করবেন

মুড়ি ও চিড়া দিয়ে অনেক মজাদার খাবার তৈরী করে বাজারে বিক্রি করা যায়। মুড়ি ও চিড়ার তৈরী বিভিন্ন রকম খাবার মেগা শপেও সরবরাহ করা যায়। বর্তমানে চিড়া মিষ্টির দোকানেও পাওয়া যায়। সকল মানুষই এই পণ্য গুলোর ভোক্তা।

সম্ভাব্য ইনকাম

মুড়ি চিড়া ব্যবসা শুরু করে অনেক টাকা আয় করা না গেলেও প্রতি মাসে ১৪০০০ থেকে ২০০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়। শহরঅঞ্ছলে দোকান গুলোতে সরাসরি পৌঁছে দিতে পারলে আরো বেশী বিক্রি করা যায়। এই ব্যবসাটি দেখতে ছোট হলেও রিস্ক কম, তাই নতুন ব্যবসায়ী হতে চাইলে শুরু করুন আজ থেকেই।