অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে মহিলা উদ্দ্যোক্তা উন্নয়নে যাহা করনীয়

মহিলা উদ্দ্যোক্তা উন্নয়নে যাহা করনীয়

মহিলা উদ্দ্যোক্তা উন্নয়নে যাহা করনীয়

মহিলা উদ্দ্যোক্তা উন্নয়নে যাহা করনীয়

যেকোন দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক বাদ দিয়ে উন্নয়ন করা অনেক কষ্টসাধ্য বিষয়। উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশের মহিলাগন উদ্দ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুনছে। আমাদের দেশের পেক্ষাপটে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে মহিলা উদ্দ্যোক্তা উন্নয়নে যাহা করনীয় তা নিন্মে তুলে ধরা হল।

১। উদ্দোক্তা বাছাই:- কর্ম সংস্থান সৃষ্টিতে কর্মদ্দোমী, উৎসাহী, আগ্রহী ও প্রতিভাবান মহিলা উদ্দ্যোক্তা চিহ্নিত করা। এই প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায় আলোচনা ছাড়াও আর্থসামাজিক জরীপ কর্ম পরিচালনা করা। তাছাড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্মরত বা সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মহিলা উদ্দোক্তা বাছাই করা।

২। প্রতিষ্ঠান তৈরীতে সহায়তা:- বাছাইকৃতদের সাথে অনুভুত চাহিদা মোতাবেক আলোচনা, জরীপ চালানো, মাঠ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা ও দক্ষতা উন্নয়নে কর্মসূচী প্রনয়ন।

৩। লাভ জনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবনা তৈরী:- মহিলাদের অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতার জন্য প্রকল্প সম্ভাব্যতা যাচাই করে  প্রকল্প হাতে নেয়া। সম্ভাব্যতা যাচাই না করে প্রকল্প হাতে নিলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। সম্ভাব্যতা যাচায়ের ক্ষেত্রে প্রকল্পটির লাভ জনকতা, মূলধন প্রাপ্যতা, প্রকল্পটি সম্পর্কে জ্ঞান ও পণ্যের বাজারজাত করনের সুবিধা দেখা। এছাড়া কারিগরি সক্ষমতা ও পরিবেশগত বিচার বিশ্লেষণ করে প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা।

৪। একই জাতীয় অন্যন্যা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন:- পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ, নিবীর পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন অত্যান্ত কার্যকর। পরিদর্শনের ফলে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়ন ঘটে। কাজের গতি বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনে সাহসিকতা বাড়ে।

৫। সরকারী বেসরকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধন:- বৃহত্তর পর্যায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ স্থাপন, কার্যক্রমের সমন্বয় ও সুযোগ সুবিধা গ্রহনে নীতিমালা প্রনয়ন ও পর্যালোচনা। এছাড়া মহিলা উদ্দ্যোক্তাদের উন্নয়নের ব্যাপারে নিয়মিত মিটিং ও সভা সমাবেশ করা।

৬। আত্মঃ প্রতিষ্ঠানিক সংযোগ স্থাপন:- প্রতিষ্ঠানিক পর্যায় পারস্পরিক মত বিনিময় ও যোগাযোগ স্থাপন। যাতে আত্ম প্রতিষ্টানিক কার্যক্রমে সমন্বয়ের ক্ষেত্র তৈরী হয়।

৭। প্রতিষ্টানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি সহায়তা:- প্রতিষ্টান ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় সক্ষমতা অর্জন অত্যান্ত জরুরী। এই সক্ষমতা অর্জনে ধারাবাহিক ট্রেনিং ও প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। এছাড়া কাজ চলাকালীন মূল্যায়নের মাধ্যমে কাজের গতি প্রকৃতি ও সুবিধা অসুবিধা ভাল মন্দ যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া।