ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন? প্রথমেই এই ৫টি জিনিস করুন

ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করার আগে জেনে নিন

ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা

ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা

একটি নতুন ব্যবসা শুরু মানেই একটি নতুন চিন্তা ও পরিকল্পনা। নতুন ব্যবসা শুরু করার র্পূবে নিজেকে প্রস্তুত করুন। পরিকল্পনা গুলো ফলপ্রসূ করতে সামনে এগিয়ে চলুন। নতুন এই চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ খুবই গুরুত্বর্পূণ। কৌশল ও মান সম্মত তথ্য একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে যথেষ্ট।  ব্যবসায়িক খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করার আগে নিচের ৫টি পদক্ষেপ নিশ্চিত করুন ।

আপনার উদ্দেশ্য নির্ধারণ করুন

মুনাফা অর্জনের  জন্য পরিকল্পনা খুবই গুরুর্ত্বপূণ । একটি সঠিক ব্যবসা পরিকল্পনা উদ্যোক্তাদেরকে উৎসাহী করে তুলে । বাজারে টিকে থাকার জন্য, গ্রাহকদেরকে আপনার সেবার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অবগত করা প্রয়োজন। গ্রাহকরা কেন আপনার সেবা গ্রহণ করবে সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিবে । তাই উদ্দেশ্য নির্ধারণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিন।  আপনার ব্যবসার মূল্যবোধ ও কিভাবে আপনি বাজারে প্রতিনিধিত্ব করবেন তা আপনার ব্যবসার উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করবে।

আপনার লক্ষ নির্ধারণ করুন

ব্যবসায় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে আপনি কী অর্জন করতে চান তার একটি স্পষ্ট দিক নির্দেশনা থাকা। কেন আপনি ব্যবসা শুরু করছেন সেটিই হওয়া উচিত আপনার ব্যবসার প্রথম লক্ষ্য । তারপর আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত আপনি কি করতে যাচ্ছেন এবং কিভাবে করবেন । তৃতীয় এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত আপনি কাকে গ্রাহক হিসেবে চান এবং কিভাবে সেবা প্রদান করবেন। বাজারে আপনার অবস্থান নির্ধারণ করতে এবং আপনার পণ্য গুলো অনন্য হিসেবে আলাদা স্থান করতে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ থাকা অত্যাবশ্যক।

আপনার ব্যবসার আদর্শ স্পষ্ট করুন

আপনি যখন একটি ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্যবসার র্আদশ র্সম্পকে চিন্তা করতে হবে। ব্যবসার আদর্শ হলো কিভাবে আপনি ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করবেন । পণ্যে ও বিবরণের সাথে অর্থনৈতিক র্আদশ ব্যবসার পরিকল্পনার সাথে সংযুক্ত করা উচিত।

আপনার নির্ধারিত বাজার সনাক্ত করুন

টার্গেট বাজার বা সম্ভাব্য গ্রাহক সনাক্ত করতে অনেক সময় প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়।  কার্যকর ভাবে বাজার ধরতে আপনার পণ্যগুলোকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার এবং বিপণন পন্থা গুলোর উপর নজর রাখা উচিত। আপনার পণ্যের সম্ভাব্য ভোক্তা কে হবে? সেক্ষেত্রে বয়স, ক্রয় ক্ষমতা, ভৌগোলিক অবস্থান, বৈবাহিক অবস্থান ইত্যাদি বিষয় গুলো বিবেচনা করা উচিত।

উদাহরণস্বরূপ, সদ্য স্নাতক পাশ করে কর্মজীবন শুরু করা মহিলার প্রয়োজনীয়তা আর ৪ সন্তানের জনক মায়ের প্রয়োজনীয়তার চেয়ে ভিন্ন হবে। উভয় নারীরই খাদ্য ও আশ্রয়ের প্রয়োজন কিন্তু একই সময়ে তারা তাদের উপার্জিত টাকা ব্যয় করতে ভিন্ন ভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারেন। পড়ুন – অসন্তুষ্ট গ্রাহককে যেভাবে সন্তুষ্ট করা যায়

ব্যবসার ধারণাটি নিয়ে আবার গবেষণা করুন

যখন কোন ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করবেন তখন ব্যবসার ধারনা নিয়ে অনেক বেশী গবেষণা করুন। এটি না করলে ছোট ব্যবসা বিফল হওয়ার  সম্ভাবনা বেশী থাকে।  উদাহরণস্বরুপ আপনার আপনি কি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন? বাজার কত বড়? মিনিমাম কত টাকা লাগবে? আপনার ব্যবসার প্রতিযোগী কে হতে পারে? ইত্যাদি।