যে ৪টি বিষয় ব্যবসায় সফল হতে হলে অবশ্যই থাকতে হবে

৪টি বিষয় ব্যবসায় সফল হতে হলে অবশ্যই থাকতে হবে

৪টি বিষয় ব্যবসায় সফল হতে হলে অবশ্যই থাকতে হবে

৪টি বিষয় ব্যবসায় সফল হতে হলে অবশ্যই থাকতে হবে

ব্যবসায় সফল হতে হলে অবশ্যই কিছু গুরুত্বর্পূণ বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত। তা নাহলে ব্যবসায় বিভিন্ন খারাপ পরিস্থিতির সম্মুক্ষীন হতে হয়। নিচে ব্যবসা শুরু করতে হলে কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে তা সর্ম্পকে আলোচনা করা হলো। আশা করছি পাঠকগন পড়ে উপকৃত হবেন।

এই চারটি বিষয় হচ্ছে ধৈর্য্য, আত্মবিশ্বাস, সততা, অর্থ সময়

ধৈর্য্য

ধৈর্য্য এমন একটি গাছ যার ফল সব সময়-ই মিষ্টি খেতে। ধৈর্য্য ছাড়া কখনই ব্যবসায় সফলতা র্অজন করা সম্ভব হয় না । ব্যবসায় সফলতা র্অজনরে মূল চাবি কাঠি হল ধৈর্য্য । তবে ব্যবসা টি সর্ম্পকে উৎসাহী  হতে হবে, তাহলেই ধৈর্য্য ধারন সম্ভব হবে।  ধৈর্য্য দিয়ে নিজের ক্ষেত্র এবং ব্যবসায়িক ধারনা গুলোকে আরো সুস্পষ্ট ভাবে জানতে সহায়তা করে থাকে।

তবে নিজের ব্যক্তগিত পছন্দগুলোর মধ্যে এমন কিছু খুজে বের করা উচিত যার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা ফুটে ওঠে। যেমন নিজেকে যদি গ্রাহক সেবার জন্য দক্ষ মনে করেন তবে গ্রাহক সেবা কেন্দ্রিক ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত। ধৈর্য্য ব্যবসার ধারনা বা আইডিয়া গুলো অনুসরন করতে সহয়তা করে থাকে। ব্যবসায়ে খারাপ অবস্থা গুলো ধৈর্য্য ধারণ করে পার করতে হয়, তাহলেই তাতে সফলতা লাভ করা সম্ভব হয়।

আত্মবিশ্বাস

অব্যশই আত্মবিশ্বাস হল এক টি শক্তিশালী সম্পদ। যা নিজেকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যায়। ব্যবসায় অনেক সময় ভালো ও খারাপ অবস্থা থাকতে পারে। তবে সে গুলো নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কারন আত্মবিশ্বাসই পারে  যে কোনো অবস্থায় সাহসিকতার সাথে সামনে এগিয়ে নিতে। এছাড়াও আত্মবিশ্বাস অনেক বড় হাতিয়ার যার মাধ্যমে অনেক কঠিন পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায়। ব্যবসার ক্ষেত্রে অবশ্যই সাহস নিয়ে এবং নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে যাতে করে সফলকাম হওয়া  যায়।

টাকা এবং সময়

একটি ব্যবসা শুরু করার আগে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে যে র্পযাপ্ত র্অথ এবং সময় আছে কিনা। নিজের সাথে  প্রতিশ্রুতিশীল থাকতে হবে এবং এতে কোন  ঝুঁকি আছে কিনা তাও লক্ষ্য রাখতে হবে । নিজের চিন্তা থেকে সময় ও র্অথকে সঠিক পথে কাজে লাগাতে হবে। কারন ব্যবসার  ক্ষেত্রে আর্থিক দিকটি অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। বিনিয়োগ করে তা থেকে র্পযাপ্ত মুনাফা র্অজন সম্ভব কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে।

সময় নির্ধারণ করতে হবে যে কতদনি র্পযন্ত ব্যবসা করা সম্ভব হবে এবং কি পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হবে বিনিয়োগের পর কি পরিমাণ লাভ হবে তাও নিশ্চিত করতে হবে। যদি কম ঝুঁকির সাথে ব্যবসা করতে  চান তবে অবশ্যই পরিকল্পনা অনুযায়ি ব্যবসা করতে হবে। কারন সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে বড় ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে ।

সততা

ব্যবসা অবশ্যই সততার সাথে শুরু করতে হবে।  কারণ অসৎভাবে ব্যবসা করলে তা বেশী দিন স্থায়ী  হয় না এবং যা‡`রসাথে ব্যবসা করবেন তাদের বিশ্বাস চলে যেতে পারে। পরর্বতীতে তারা  আর ব্যবসা করতে আগ্রহী থাকে না। কারণ অসৎ ব্যাক্তির সাথে কেউ ব্যবসা করতে চায় না। সৎভাবে ব্যবসা করলে সকলেই তাকে পছন্দ করে এবং ব্যবসায়ে সকলের কাছে বিশ্বস্ত হওয়া যায়।

ব্যবসার ক্ষেএে যদি বিশ্বস্ত হওয়া যায় তাতে ব্যবসার পরিধি বেড়ে যায় এবং  সকলের কাছে পরিচিত বৃদ্ধি পায়। ব্যবসায়ে সৎ এবং বিশ্বস্তার প্রয়োজন হয়। তাহলেই ব্যবসা আস্তে আস্তে বড় হবে। আর ব্যবসা বড় হলে ব্যবসায়ী এবং আয় রোজগার বেড়ে যায়। সততার সাথে কাজ করলে আপনার কর্মীরা ধীরে ধীরে আরো ভালো কাজ করার চেষ্টা করবে। ধীরে ধীরে তারা আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল হয়। বাংলায় একটি প্রবাদ বাক্য আছে সততাই র্সবোৎকৃষ্ট পন্থা ।