ব্যবসার জন্য লোন নেওয়ার আগে কয়েকবার ভাবুন

ব্যবসার জন্য লোন নেওয়ার আগে কয়েকবার ভাবুন

ব্যবসার জন্য লোন নেওয়ার আগে কয়েকবার ভাবুন

ব্যবসার জন্য লোন নেওয়ার আগে কয়েকবার ভাবুন

Business Loan বা ব্যবসার জন্য লোন আর মানসিক চাপের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখি না। আপনার কাছে টাকা না থাকলে টাকা পাওয়ার একমাএ উপায় লোন হতে পারে না। আমরা যখন কোন কাজ করতে চাই এবং সেই কাজের জন্য অর্থের দরকার হয় যা আমাদের কাছে নেই তখন অনেক সময় আমরা লোন নিতে চাই। লোন নেওয়া সহজ কিন্তু তা পরিশোধ করা মোটেই সহজ নয়। তাই ব্যবসার জন্য লোন নেওয়ার আগে কয়েকবার আপনাকে ভেবে নিতে হবে।

লোন বলতে কি বোঝায়?

ভবিষ্যতের কোন কাজে সফলতা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আত্মীয় স্বজন বা বন্ধু বান্ধবদের কাছ থেকে সুদ নির্ধারণ করে টাকা নেওয়াকে লোন বোঝায়। লোন নেওয়ার সময় একটি চুক্তি করা হয় যেখানে সুদের হার, কত দিনে সুদ সহ আসল টাকা ফেরতে দেওয়া হবে, এবং টাকা ফেরত কিভাবে দেওয়া হবে তা উল্লেখ থাকে।

 

ধরুন একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার ১০ লাখ টাকা লাগবে। আপনার কাছে ৫ লাখ টাকা রয়েছে এবং বাকী ৫ লাখ টাকা আপনি লোন নিতে চাচ্ছেন। এই অবস্থায় আপনার চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে আপনি কত পারসেন্ট সুদ দিবেন, কত বছরে সুদ সহ আসল টাকা পরিশোধ করবেন এবং প্রতিমাসে টাকা দিবেন, না একবারে মেয়াদ শেষে টাকা দিবেন ইত্যাদি।

 

আপনি ব্যবসা করে লাভ করতে পারেন আর নাই পারেন সুদ সহ আসল টাকা আপনাকে দিতেই হবে। এই যে আপনি চুক্তির মধ্যে নিজেকে জড়িতে ফেললেন এর মানে হলো সব সময় একটি মানসিক চাপ নিয়ে থাকা। লাভ করতে পারব কিনা, কিভাবে লাভ করব, লাভ করতে না পারলে সুদের টাকা কিভাবে দিব, ইত্যাদি বিষয় আপনাকে চিন্তার মধ্যে রাখবে। আপনি যদি আখিরাতে বিশ্বাস করেন তবে আমার বিশ্বাস, আপনি সুদের সাথে নিজেকে যুক্ত করতে চাইবেন না।

 

এখন একটি প্রশ্ন আসতেই পারে, টাকা কোথায় পাব? আসুন লোন ছাড়া কিভাবে ব্যবসা করা যায় তা জেনে নেই।  

 

নিজের যা আছে তাই দিয়ে শুরু করুন

আপনি যেই ব্যবসাটি শুরু করতে চাচ্ছেন তা ছোট আকারে নিজের টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। নিজের টাকা দিয়ে ব্যবসা করলে লাভ ও লসের দায় আপনার নিজের উপরে থাকবে, যা আপনাকে মানসিক শান্তি দিবে। এছাড়া ছোট আকারে শুরু করলে আস্তে আস্তে অভিজ্ঞতা বাড়বে এবং লাভের টাকা দিয়ে ব্যবসা বাড়াতে পারবেন।

 

পার্টনারশিপ

আরেকটি দুর্দান্ত উপায় হলো পার্টনারশীপে ব্যবসা করা। এতে আপনার নিজের টাকা কম লাগবে এবং ব্যবসায় লস হলে এর দায় আপনার একার উপর পরবে না। এছাড়া পার্টনারশীপে ব্যবসা করলে অন্য পার্টনারদের থেকে নানাভাবে উপকৃত হওয়া যায়। যেমন ধরুন আপনি ব্যবসার মার্কেটিং ভাল বুজেন এবং আপনার পার্টনার হিসাবে দক্ষ।

 

আরোও পড়ুন – ব্যবসা শুরু করতে চাইলে এই ৫টি সাধারন ভুলকে না বলুন

মুনাফা ভাগাভাগি

আপনি ইনভেস্টর খুজতে পারেন যারা আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে রাজি হবে। লাভের টাকা তাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিতে পারেন। শেষ কথা, আপনি যদি সুদের সাথে নিজেকে জড়াতে না চান তবে কোন কোন একটি উপায় খুঁজে পাবেন বলে বিশ্বাস করছি।

কে এম চিশতি সিয়াম // ইউটিউব লিঙ্ক 

আরো পড়ুন –