জীবনে সাফল্য পেতে চাইলে ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠুন

ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠুন

ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠুন

ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠুন

সফল হতে চাইলে আপনাকে হতে হবে ব্যক্তিত্ববান। আমরা জানি জ্ঞান, মানসিক শান্তি, ধন-সম্পদ, সামাজিক অবস্থা, এবং মানুষের ভালবাসা যার মধ্যে থাকে সে সফল। ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠতে পারলে সামাজিক ভালো অবস্থা এবং মানুষের ভালবাসা পাওয়া যায়।

ব্যক্তিত্ব বলতে কি বোঝায়

ব্যক্তিত্ব হচ্ছে নিজস্ব গুণাবলীর প্রকৃত প্রতিফলন ঘটানো। আমাদের নিজেদের মধ্যে থাকা যে সব গুন আছে তা খুঁজে বের করে বাস্তব প্রতিফলন ঘটানোকে ব্যক্তিত্ব বলতে পারি। ভালো দিকগুলোকে ব্যক্তিত্ববান এবং খারাপ দিকগুলোকে ব্যক্তিত্বহীন বলা যেতে পারে।

 

কোন মানুষ ব্যক্তিত্ববান কিনা তা জানার জন্য তার কথাবার্তা, আচার-আচরণ, ধ্যান ধারনা, ও মন মানসিকতা দেখে ধারনা নেওয়া যায়।

 

আমাদের জীবনে চলার পথে অনেকের কথাবার্তা আমরা পছন্দ করতে পারি না, শোনা মাএই বিরক্ত লাগে বা রাগ উঠে, কারন তার কথাবার্তার ধরনই এই রকম। এর মূল কারন তার ব্যক্তিত্বে কোন সমস্যা আছে, যা সে পছন্দ করে তা অন্যরা পছন্দ করে না।

 

সামাজিক অবস্থা, এবং মানুষের ভালবাসা এমন কিছু বিষয় যা জোড় করে অর্জন করা যায় না। আপনার নিজের মধ্যে কিছু অভ্যাস যদি প্রতিদিন চর্চা করতে পারেন তবে ব্যক্তিত্ববান হয়ে উঠা সহজ হবে। আসুন এই নিয়ে কিছু ধারনা শেয়ার করা যাক।

 

সন্মান করুন

সমাজের দশ জনের এক জন হতে চাইলে আপনাকে সন্মানিত হতে হবে। তবে সন্মান পাওয়ার আগে সন্মান দিতে হবে, তবেই দীর্ঘমেয়াদে সন্মানিত হওয়া যায়।

 

এখানে দীর্ঘমেয়াদে সন্মানিত বললাম এই কারনে যে, অনেকের কিছু টাকা হয়ে গেলে সমাজের কিছু একটা ভাবতে শুরু করে এবং ঐ টাকার জন্য কিছু মানুষ তাকে বাহবা দিতে থাকে। এই বাহবা ততক্ষনই চলবে যতক্ষন ঐ মানুষটির কাছে টাকা থাকবে।

 

তাই দীর্ঘমেয়াদে সন্মানিত হওয়ার জন্য মানুষকে মূল্যয়ন করতে হবে এবং সবাইকে সন্মান দিতে হবে। আমাদের মধ্যে একটি রোগ আছে তা হল, আমরা শুধু মাএ টাকা ওয়ালাদের ও হাতে গোনা কিছু মুরুব্বিদের সন্মান করি।

 

আমি জানি না তাও মন থেকে কিনা। কিন্তু একজন প্রকৃত সফল ব্যাক্তি সবাইকে সন্মান করবে, হোক রিস্কাওয়ালা বা কোটিপতি। পড়ুন – জীবনে সম্মানিত সেই হয় যে অন্যকে সম্মান দিতে পারে।

 

সুন্দর করে কথা বলা

এই দক্ষতা আমাদের কারোই জন্মগত দক্ষতা না। আপনি যত প্রাকটিস করবেন তত সুন্দর করে কথা বলতে পারবেন।

 

প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা না বলে যা বলতে চাচ্ছেন তা সুন্দর করে বলার চেষ্টা করুন। কেননা বেশী কথায় ভুল বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি যা বলছেন তা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ আপনি কিভাবে বলছেন।

 

তাছাড়া কথা বলার সময় চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবেন এবং হাসি মুখে কথা বলার চেষ্টা করবেন। আপনি জানেন যে, কথা দিয়ে যুদ্ধ জয় করা যায় আবার এই কথা মাধ্যমে যুদ্ধ লেগে যায়। কথা দিয়ে অপরকে আপন বানানো যায় আবার কথার মাধ্যমে আপন পর হয়ে যায়।

 

কথা যেমন সুন্দর বলতে হবে ঠিক তেমনি অপরের কথাও মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। ব্যক্তিত্ববান হওয়ার জন্য এই দক্ষতা আপনাকে শিখতেই হবে। কে এম চিশতি সিয়াম – ইউটিউব লিঙ্ক