বিল গেটসের দৃষ্টিতে সফলতার ১০ টি মূলমন্ত্র

বিল গেটসের দৃষ্টিতে সফলতার ১০ টি মূলমন্ত্র

বিল গেটসের দৃষ্টিতে সফলতার ১০ টি মূলমন্ত্র

বিল গেটসের দৃষ্টিতে সফলতার ১০ টি মূলমন্ত্র

ফোর্বস সাময়িকীর গত ২২ বছরে বিশ্বের ধনীদের তালিকায় ১৭ বার যিনি শীর্ষে অবস্থান করেছেন তার নাম বিল গেটস। তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা। ১ মে, ২০১৯ পর্যন্ত যার মোট সম্পদের পরিমাণ ১০১.৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু তার সফলতার পেছনেও অনেক উত্থান পতনের গল্প আছে। তাকেও ব্যর্থতা কাটিয়ে সব কিছু নতুন করে শুরু করতে হয়েছে। বিভিন্ন ভাষণ ও সাক্ষাতকারে তিনি বর্তমান তরূণদের উদ্দেশ্যে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। এখানে বিশ্বের অন্যতম সফল ও ধনী এই ব্যক্তির তরুণদের উদ্দেশ্যে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ১০ টি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

শুরু করুন

বিল গেটসের মতো সকল সফল উদ্যোক্তারাই দ্রুত শুরু করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ আপনি এখন যে ধারণাটি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন তা যদি বাস্তবায়ন করতে না পারেন তবে দেখবেন এই ধারণাটি নিয়ে শুরু করে অন্য কেউ সফল হয়ে গেছে। তখন শুধু আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না। পড়ুন – সফল ব্যবসায়ীর ১০ টি প্রধান গুণ

না বলতে শিখুন

কোন কাজে যদি আপনি অসমর্থ হন তবে নিশ্চয়ই আপনি আপনার অপারগতার কথা জানাবেন। কিন্তু অনেকেই না বলতে দ্বিদ্বা দ্বন্দ্বে পড়ে যান। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যায়। তাই না বলতে শিখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশে^র প্রায় সকল সফল উদ্যোক্তাই এই পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

সাফল্য পেতে হলে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তারপর ক্রমাগত সেই লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হতে হবে। লক্ষ্য নির্ধারণ করতে না পারলে সামনে অগ্রসর হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

ব্যর্থতাকে গ্রহণ করুন

যে কোন কাজেই ব্যর্থতা আসতে পারে। সাধারণত নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণেই ব্যর্থতা ভর করে। তাই এ জন্য সব সময় নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পুরোদমে নতুন ভাবে কাজ শুরু করতে হবে।

সমালোচনা মেনে নিন

অনেকেই সমালোচনাকে গ্রহণ কতে পারেন না। তবে বিল গেটস সমালোচনাকে সাদরে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সমালোচনাকারীদের সকল সমালোচনা মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে এবং সকল দোষ ত্রুটি খোজেঁ বের করতে হবে।

জেনে নিন – সফল উদ্যোক্তাদের যে দক্ষতা থাকে দেখে নিন আপনার আছে কিনা

ভালো মানুষদেরকে নিয়োগ করুন

যাদেরকে পরিপূর্ণ ভাবে বিশ্বাস করা যায় তাদেরকেই কাজে নিয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে দক্ষ ও কমন ভিশন আছে এমন ব্যক্তিদেরকেই বাছাই করতে হবে। যে কোন কোম্পানীতে গ্রাহকদের পরে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো সে কোম্পানীর কর্মীরা। তাই নিয়োগের সময় সৎ ও পরিশ্রমী কর্মী নিয়োগ করা জরুরী।

অন্যের পরামর্শ নিন

বিল গেটস যে কোন ব্যবসা শুরু করার পূর্বে অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে পরামর্শ নিতে বলেছেন। কারণ আপনার কাছে যে ধারণাটি আছে তা অন্যের কাছে নেই। আবার অন্যের কাছে যে ধারণাটি আছে তা আপনার কাছে নেই। সেক্ষেত্রে দুই জনের ধারণা একত্রিত হলে একটি আদর্শ ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

কাজকে উপভোগ করুন

কোন কাজ যদি উপভোগ করা না যায় তাহলে সে কাজটিকে ভালবাসা সম্ভব নয়। আর কাজকে ভালবাসতে না পারলে সফল হওয়া অসম্ভব। তাই কাজকে ভালবেসে নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।

কঠোর পরিশ্রম

কঠোর পরিশ্রম ব্যতীত যে কোন কাজে সফল হওয়া অসম্ভব। পরিশ্রমই সফলতার মূল চাবিকাঠি। কঠোর পরিশ্রমের ফলেই সফল হওয়া সম্ভব।

আত্নবিশ্বাসী হোন

যে কোন কাজেই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। আর সেই কঠিন পরিস্থিতিতে ভেঙ্গে পড়লে সব কিছুই বৃথায় যেতে পারে। তাই যে কোন পরিস্থিতিতেই নিজের কাজের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আত্নবিশ্বাস ব্যতীত সফলতা অর্জন করা যায় না।