বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ গ্রুপ অফ কোম্পানি তালিকা ২০২০

বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ গ্রুপ অফ কোম্পানি তালিকা ২০২০

বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ গ্রুপ অফ কোম্পানি তালিকা ২০২০

বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ গ্রুপ অফ কোম্পানি তালিকা ২০২০

স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতির নেতৃত্ব দিচ্ছে বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান। নেতৃত্বে থাকা কোম্পানিরগুলো অনেকগুলো উপখাতে জড়িত থাকলেও বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ গ্রুপ অফ কোম্পানি উৎপাদন খাতেই বেশি সক্রিয়। বৈচিত্র্যপূর্ণ পণ্য উৎপাদন, ব্যবসায়ের কলাকৌশল, গ্রাহক চাহিদা, মার্কেট রিসার্চ ও গবেষণা, গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করা ইত্যাদি নানা কারনে দীর্ঘ সময় ধরে এই শীর্ষ ৫ গ্রুপ অফ কোম্পানি বাংলাদেশের অর্থনীতির নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।

শীর্ষ ১০ গ্রুপ অফ কোম্পানি

১। বসুন্ধরা গ্রুপ – Bashundhara Group

বসুন্ধরা গ্রুপ

বসুন্ধরা গ্রুপ বিনিয়োগে খুবই বৈচিএময়। ১৯৮৭ সালে “দেশ ও মানুষের জন্য” এই স্লোগান নিয়ে আবাসন ব্যবসার মধ্য দিয়ে ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করে। আবাসন ব্যবসার সাথে সাথে উৎপাদনমুখী ব্যবসার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যায়। তাদের কিছু উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান-

১। বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড

২। মেঘনা সিমেন্ট মিলস্‌ লিমিটেড

৩। বসুন্ধরা সিমেন্ট

৪। বসুন্ধরা পেপার মিলস্‌ লিমিটেড পুঁজিবাজারে (লিস্টেড)

৫। বসুন্ধরা মাল্টি পেপার ইন্ডাসট্রিজ লিমিটেড

৬। বসুন্ধরা টিস্যু ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

৭। বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেড

৮। আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আই সি সি বি)

৯। শপিং মল – বসুন্ধরা সিটি ঢাকা

১০। টগি ওয়ার্ল্ড

১১। বসুন্ধরা ফুড (আটা, ময়দা, সুজি, সয়াবিন তেল, নুডুলস, সেমাই, পাস্তা)

১২। রেস্টুরেন্ট চেইন (বাবা রাফি বাংলাদেশ, দ্য ফুড হল, ফুড স্ট্রিট, সানফ্লাওয়ার রেস্টুরেন্ট)

১৩। মিডিয়া (দৈনিক কালের কন্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪,  নিউজ২৪ বিডি, দৈনিক সান, রেডিও ক্যাপিটাল)

১৪। স্পোর্টস টিম (বসুন্ধরা কিংস, রংপুর রাইডার্স, শেখ জামাল ধানমন্ডি, শেখ রাসেল ক্রিড়াচক্র)

এছাড়া কর্পোরেট সামাজিকদায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বসুন্ধরা সামাজিক ফাউন্ডেশন, বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট (বিটিআই), বসুন্ধরা আদ দিন হাসপাতাল, বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতাল।

বসুন্ধরা গ্রুপে কর্মীসংখ্যা – ২৫,০০০+

২। এ কে খান এন্ড কোম্পানি – A K Khan & Company

এ কে খান এন্ড কোম্পানি

এ কে খান এন্ড কোম্পানি

১৯৪৫ সাল থেকে আমাদের দেশে সেবা দিয়ে আসছে  এ কে খান এন্ড কোম্পানি। ষোড়শ শতাব্দীর গৌড়ের আমীর হামযা খানের বংশধর আবুল কাসেম খান, যিনি এ কে খান এন্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের উল্লেখযোগ্য কিছু কোম্পানির তালিকা!

১। সিয়েট একেখান লিমিটেড

২। কোটস বাংলাদেশ লিমিটেড (সেরা ট্যাক্স দাতা)

৩। এ.কে. খান প্যানফ্রেবরিক কোম্পানি লিমিটেড

৪। এ কে খান ওয়াটারহেলথ (বাংলাদেশ) লিঃ

৫। বাংলার মৎস্য লিমিটেড

৬। চট্টগ্রাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড (সিটিএম)

৭। এ কে খান টেলিকম লিমিটেড

৮। এ কে খান অর্থনৈতিক জোন (একেকেইজেড)

৯। এ.কে. খান রাবার বাগান

১০। আন্ধার মানিক চা রাজ্য

১১। ইনফোকম লিমিটেড

১২। একেকে লজিস্টিক ও বিতরণ লিমিটেড

১৩। এ.কে. খান ম্যাচ ফ্যাক্টরী

১৪। এ.কে. খান টাওয়ার

আবুল কাসেম খান আজ এই দুনিয়ার নেই, কিন্তু তার গড়া এ কে খান এন্ড কোম্পানি মাধ্যমে দেশ ও জাতি সেবা পেয়ে আসছে।

৩। মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ – Meghna Group of Industries

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ

মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি। এমজিআইতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের পণ্য উত্‍পাদন করছে এবং প্রায় ৪৫ টি বিভিন্ন কারখানা পরিচালনা করছে।  

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এ ৩০০০০ এর বেশি কর্মী রয়েছে, ৩০০০ ডিস্ট্রিবিউটর এবং ১০০ সরবরাহকারী রয়েছে। গ্রুপটির জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী ৪০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘Fresh’, ‘No.1′ and ‘Pure’

তাদের প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে।

১। মেঘনা এভিয়েশন লিঃ

২। ঢাকা সিকিউরিটিজ লিমিটেড

৩। ফ্রেশ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

৪। মেঘনা শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডকইয়ার্ড লিমিটেড

৫। এভারেস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোং লিমিটেড

৬। মেঘনা প্রপার্টি লিমিটেড

৭। এভারেস্ট সিএনজি রিফুয়েলিং কনভার্সন লিমিটেড

৮। তানভীর ওয়েল লিমিটেড

৯। তানভীর ফুড লিমিটেড

১০। তানভীর পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

১১। সোনারগাঁও সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

১২। ইউনিক পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেড

১৩। M.M. মুদ্রণ ও প্যাকেজিং কোম্পানি লিঃ

১৪। মেঘনা চা কোম্পানি লিমিটেড

১৫। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনসিওরেন্স কোং লিমিটেড, সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে প্রতি তিনটি পরিবারের মধ্যে একটিতে এমজিআই ব্র্যান্ড এবং পণ্য ব্যবহার করে। এমজিআই বিশেষত মধ্য প্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকায় বিভিন্ন পণ্য রফতানির মাধ্যমে বাংলাদেশের উপস্থিতি ছড়িয়ে দিয়েছে।

৪। যমুনা গ্রুপ – Jamuna Group

যমুনা গ্রুপ বস্ত্র, রাসায়নিক, চামড়া, মোটর সাইকেল, মিডিয়া, ইলেকট্রনিক্স, প্রিন্ট, বেভারেজ, টয়লেট্রিজ, বিজ্ঞাপন শিল্পের জড়িত। এই গ্রুপে বর্তমানে ২৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছুর তালিকাঃ

১। যুগান্তর (দৈনিক পত্রিকা)

২। যমুনা ফিউচার পার্ক (বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শপিং মল)

৩। যমুনা টিভি (২০০৭ সালে অনুমোদন পায় যমুনা কর্তৃপক্ষ, ৫ এপ্রিল ২০১৪, চ্যানেলটি পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচারে আসে)

৪। যমুনা সিটি

৫। যমুনা ইলেকট্রনিক্স ও মোটরগাড়ি

৬। নিউ উত্তরা মডেল টাউন

৭। যমুনা নিটিং ও ডায়িং লিমিটেড

৮। যমুনা ডেনিমস লিমিটেড

৯। শামীম স্পিনিং মিলস লিমিটেড

প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৭৪

প্রতিষ্ঠাতা – নুরুল ইসলাম বাবুল

৫। স্কয়ার গ্রুপ

৫৫ হাজারের বেশি মানুষের কর্মস্থল এই স্কয়ার গ্রুপ। ৪ বন্ধুর মাত্র ২০ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে স্কয়ারের জন্ম হলেও, এখন বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ ১১ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। (২০১৮-১৯ অর্থবছর)

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্কয়ার টেক্সটাইলস শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ২টি কোম্পানি আছে তাদের।

এছাড়া তাদের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান সমূহ –

১। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল্‌স লিমিটেড

২। স্কয়ার টেক্সটাইল্‌স লিমিটেড

৩। স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড

৪। স্কয়ার স্পিনিংস লিমিটেড

৫। শেলটেক

৬। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড

৭। ন্যাশনাল হাউজিং ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড

৮। মিডিয়াকম লিমিটেড

৯। মাছরাঙ্গা টিভি

১০। স্কয়ার ডেনিম

১১। স্কয়ার অ্যাপারেলস।

১২। স্কয়ার হসপিটাল

১৩। স্কয়ার সিকিউরিটিজ ম্যানেজমেন্ট

১৪। স্কয়ার এয়ার

১৫। স্কয়ার ইনফরমেটিকস

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)