“না” বলতে পারা একটি দক্ষতা

“না” বলতে পারা একটি দক্ষতা

“না” বলতে পারা একটি দক্ষতা

“না” বলতে পারা একটি দক্ষতা

আমরা মানুষেরা সামাজিক জীব। জীবনে চলার পথে আমাদের একে অপরের সাথে মিলে মিশে চলতে হয়। আমরা একে অপরের দুঃখে এগিয়ে যাব, অন্যকে সাহায্য করব এইটাই আমাদের নীতি হওয়া উচিত। কিন্তু সব সময় সব বিষয়ে “ইয়েস” বা হাঁ বলা কখনই আমাদেরকে সফল হতে সাহয্য করবে না। “না” বলতে পারা একটি দক্ষতা। কোথায় এবং কিভাবে “না” বলবেন তা জেনে রাখতে হবে।

 

কোন কথায় হ্যাঁ বলবেন এবং কোন কথায় না বলবেন তা নির্ভর করে কথাটি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তার উপর। হ্যাঁ বললে আপনার লাভ কি হবে এবং না বললে আপনার লাভ কি হবে তা বুজতে হবে।

 

ধরুন, একই দিনে কোন এক বন্ধু আপনাকে আড্ডা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রন জানালেন এবং আরেক বন্ধু একটি সেমিনারে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রন জানিয়েছে। এখন আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোথায় যাবেন এবং কোথায় যাবেন না। কাকে না বলবেন এবং কাকে হ্যাঁ বলবেন তা নির্ভর করে আপনার কাছে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ তার উপর।

 

কাউকে “না” বলা মানে তাকে অসন্মান করা না।

আমাদের মধ্যে অনেক সময় এই রকম পরিস্থিতি হয় যে, এমন কেউ আমাদের কোন কাজ করতে বলে, যিনি আমাদের চোখে সন্মানিত এবং আমাদের ইচ্ছা না থাকা সত্বেও ঐ কাজ করতে বাধ্য হই। এই রকম অবস্থায় আপনাকে শক্ত অবস্থানে যেতে হবে, আপনি যদি সরাসরি না বলতে পারেন তবে কৌশলে তাকে এড়িয়ে যেতে হবে।

 

আপনি যদি কাউকে “না” বলেন তবে আপনার জেল জরিমানা হবে না।

যখন “না” বলবেন তখন স্পষ্ট করেই “না” বলুন। করতে পারি, যেতে পারি, চিন্তা করে দেখি, হতে পারে, এই রকম অর্ধেক উত্তর দিবেন না। যখন আপনি আসলেই ঐ কাজটি করবেন না তখন এর ফলে আপনার বিপরীতে থাকা মানুষটি আপনাকে ভুল বুজবে, এর চেয়ে আগেই থেকে “না” বলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে রাখা ভাল।

 

সব সময় হ্যাঁ বললে আপনাকে হয়ত বাদাম বিক্রি করতে হতে পারে, আবার সম সময় “না” বললে মানুষের চোখে একজন নেগেটিভ মানুষ হতে হবে। এই অবস্তায় সহজ উপায় হচ্ছে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনটি সেই অনুযায়ী সিন্ধান্ত নেওয়া।

 

ধরুন আপনি একটি মুদির দোকান ব্যবসা দিলেন এবং ব্যবসা শুরু করার আগ থেকে বাকী দিবেন না বলে নিজের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, কেননা আপনি জানেন বাকী দিয়ে এই ব্যবসা বেশী দিন চালানো যায় না।

এই অবস্থায় দোকানের বিক্রি কিছুটা কম হলেও নিজের সিন্ধান্তে অটল থাকা উচিত। প্রথম থেকেই যদি আপনি বাকী দিবেন না এই বিষয়টা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন তবে এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবেন।

কে এম চিশতি সিয়াম // ইউটিউব চ্যানেল থেকে নেওয়া