প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বকে কুক্ষিগত করে রাখার কুফল কি

একটি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বকে কুক্ষিগত করে রাখার কুফল

প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বকে কুক্ষিগত করে রাখার কুফল

প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বকে কুক্ষিগত করে রাখার কুফল

অনেক সময় দেখা যায়, কোন প্রতিষ্ঠানে সকল দায়িত্ব কোন নিদিষ্ট ব্যক্তি কাছে কুক্ষিগত করে রাখা হয়। যে কারনে ঐ ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া ঐ প্রতিষ্ঠানে কোন কাজ হয় না। আবার নিদিষ্ট ব্যক্তি ভিন্ন অন্য কারও কথা অধীনস্থগন পালন করতে চায় না।

এতে প্রতিষ্ঠানিক কাজের গতি ক্রমাগত থেমে আসতে চায়। এ সব ক্ষেএে বহু পরিশ্রমের পরও নিদিষ্ট সুফল লাভ করা হয় না। এ ধরনের সমস্যা নিরসন ক্ষেএে মানব সম্পদ উন্নয়ন বা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সফলতার পরিচায়ন।

একটি উপমা দিলে প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বকে কুক্ষিগত করে রাখার কুফল কি তা স্পষ্ট বুজতে পারা যাবে।

উপমাঃ একটি নামী-দামী প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের একটি জরুরী সভা চলছে। অফিসের বাবুর্চি তাদের জন্য কফি বানাতে গিয়ে দেখে, রান্না ঘরে একটি সাপ। সে ভয় পেয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে এবং অন্যান্য কর্মচারীদের জানায়।

তাঁরা পরামর্শ দিল কেয়ারটেকারকে জানাতে। কেয়ার টেকারকে জানানো হলে, তিনি অফিস সেক্রেটারি কাছ থেকে তাঁকে সাপ মারার কাজে ব্যবহারের অনুমতি নিতে বললেন।

অফিস সেক্রেটারিকে জানানো হলে তিনি বলেন যে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা কেয়ার টেকারকে ভিডিও ও প্রজেক্টার সাজাতে বলেছেন তাই অন্য কাজে তাঁকে ব্যবহার করতে হলে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে।

প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সাপের বিষয়টি জানানো হলে তিনি নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি লাভের আশায় সভা  কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

সভায় চা বিরতি ঘোষনা করে নির্বাহী কর্মকর্তা যখন সভা কক্ষ হতে বের হলেন, তখন প্রশাসনিক কর্মকর্তা তাঁকে সাপের বিষয়টি জানানেল। তিনি ক্ষুদ্ব হয়ে লাঠি নিয়ে রান্না ঘরের দিকে এগুলেন।

এ সময় অন্যান্য কর্মচারীগন যার যার টেবিলে গিয়ে নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।

আরো পড়ুন – মানুষ কেন প্রতিস্থানবাসী

এই ঘটনাটি থেকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আমরা কি মন্তব্য করব? সকলে অনুমতি, দায়িত্ব সচেতন, তাই নয় কি? কিন্তু তাদের মধ্যে নেতৃত্বগ্রহনের অভাব আছে।

মানব সম্পদ উন্নয়ন ঐ প্রতিষ্ঠানে বর্তমান থাকলে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের অন্যান্য গুনাবলীর সাথে নেতৃত্ব গ্রহনের আগ্রহ, অঙ্গিকারবদ্ধতা, গুনাবলির বাড়ত। যাতে কর্মচারীগন নিজেদের নেতৃত্বে ঐ সাপটি মারার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাবুচির কাজে সহায়তা করতে পারত।