ঝালকাঠি জেলায় ব্যবসা শুরু করার জন্য ৫ টি বিজনেস আইডিয়া

ঝালকাঠি জেলায় ব্যবসা শুরু করার জন্য ৫ টি বিজনেস আইডিয়া

ঝালকাঠি জেলায় ব্যবসা শুরু করার জন্য ৫ টি বিজনেস আইডিয়া

ঝালকাঠি জেলায় ব্যবসা শুরু করার জন্য ৫ টি বিজনেস আইডিয়া

ঝালকাঠি জেলায় ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন? লাভজনক ব্যবসার ধারনা খুজছেন? ঝালকাঠি এমন একটি জেলা যার ব্যবসায়িক গুরুত্ব সেই ডাচ, ফরাসি, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যুগেও ছিল। আপনি শুনে হয়ত অবাক হবেন ঝালকাঠিকে দ্বিতীয় কলকাতা বলা হত। এর একমাএ কারন ছিল বানিজ্যিক গুরুত্ব! আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি এমন একটি জেলার বিজনেস আইডিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য।

এক নজরে ঝালকাঠি জেলার অর্থনীতি

দক্ষিনের অন্য জেলার মতই ঝালকাঠি জেলার অর্থনীতি শস্য ও ধান নির্ভর। লবন কারখানা, তেলের কল, ধান কল ইত্যাদি থাকলেও বড় রকম শিল্প কারখানা এখনও তেমন গড়ে উঠেনি। তবে দেশের দক্ষিণ বাংলা ছাড়া সহ অনেক জেলায় লবন সরবরহ করে এই ঝালকাঠি জেলা। পদ্দা সেতুর কাজ শেষ হলে এই জেলা বাংলাদেশের অন্যতম বানিজ্যিক জেলায় রূপান্তর হতে পারে।

তাই বর্তমানে এই জেলাতে এমন ব্যবসা শুরু করা উচিত হবে যা অনেকদিন তার গুরুত্ব ধরে রাখতে পারবে। আসুন জেনে নেই কোন ব্যবসা ঝালকাঠি জেলায় শুরু করা যেতে পারে।

আড়ৎদারী ব্যবসা

ঝালকাঠি জেলায় অন্যতম প্রাচীন ও লাভজনক ব্যবসার নাম আড়ৎদারী ব্যবসা। বিশেষ করে মসল্লাদি পণ্য যেমন মরিচ, হলুদ, তেজপাতা, দারুচিনি, সরিষার তেল ইত্যাদি ব্যবসা করা যেতে পারে। আড়ৎদারী ব্যবসা শুরু করার আগে মার্কেট যাচাই ও পণ্যের গুনাগুন জেনে ব্যবসা শুরু করার উত্তম। জানুন – ব্যবসা শুরু করার উত্তম সময়

ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্ট

আপনি যদি খাবার কেন্দ্রিক ব্যবসা কথা ভেবে থাকেন তাহলে শুরু করুন ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্ট। লোক সমাগম হয় এমন স্থানে এবং ভাল বসার ব্যবস্থা করতে পারলে ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্ট হতে পারে একটি লাভজনক ব্যবসা। শুরুতে কম টাকা বিনিয়োগ করে এই ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। ব্যবসার অবস্থান এই ব্যবসার মূল চাবিকাঠি। ফাস্ট ফুড ব্যবসা শুরুর আগে অবশ্যই যথেষ্ট গবেষণা করে নেওয়া উচিত।

ডেকোরেটর ব্যবসা

মধ্যম বিনিয়োগে ডেকোরেটর ব্যবসা শুরু করা যায় এবং ঝালকাঠি জেলায় এই ব্যবসার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ডেকোরেটর ব্যবসা শুরু করার অন্যতম কারন আপনি একবার বেশী টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং এর ফল অনেক দিন পাবেন। দক্ষ কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করা যায়। ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে মাসে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বা তারও বেশী আয় করা যেতে পারে।

শিশুদের খেলনার দোকান

অন্যতম লাভজনক ব্যবসা হিসাবে শিশুদের খেলনার দোকান ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। খেলনা পণ্য একটু কম চলবে তবে চিন্তার কারন নেই। কেননা খেলনার পণ্যে শতকরা ৩৫ ভাগ না তার বেশী লাভ করা যায়। ছোট জায়গায়ও এই ব্যবসা শুরু করা যায় এবং এতে মূলধন কম লাগে।

ফার্নিচার ব্যবসা

কম ঝুঁকি, লাভ বেশী ব্যবসা করতে চাইলে শুরু করুন ফার্নিচার ব্যবসা। প্লাস্টিক ফার্নিচার, কাঠের কিংবা স্টিলের ফার্নিচার নিয়ে একটি দোকান ভাড়া করে ফার্নিচার ব্যবসা শুরু করা যায়। কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই সহজ। আপনি যদি নিজে বা মিস্ত্রি দিয়ে ফার্নিচার বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন তাহলে লাভের পরিমান বেশী করা যায়।