ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করার ১৩টি কারন

ছাগল পালন ব্যবসা

ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করার ১৩টি কারন

ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করার ১৩টি কারন

কেন ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করবেন তার ১৩টি কারন ও ছাগল পালনের সুবিধা জানার চেষ্টা করি। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি যারা গরু বা মুরগী পালন করতে চাই, কিন্তু ছাগল পালন করতে চাই না। এর কারন হিসাবে অনেকেই রশিকতা করে বলে থাকে ছাগল পালে পাগলে। আসলেই কি তাই? মোটেই না!

আমাদের দেশে পোলট্রি ফার্ম বা গাভী পালন এর থেকে ছাগল পালনে লাভ বেশী। আজকের এই লেখায় আমি খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি, যে ১৩টি কারনে ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

১. অল্প টাকা দিয়ে ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করা যায়। আনুমানিক ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েই বাণিজ্যিক ভাবে এই ব্যবসা শুরু করা যায়।

২. ছাএ ও মহিলার সহজেই এই ব্যবসা করে আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারে।

৩. যেহেতু ছাগল আকারে ছোট তাই অল্প জায়গায় খুব সহজে এই ব্যবসা শুরু করা যায়।

৪. ছাগল গরুর মত শান্ত প্রানী বিধায় দেখাশুনা করার জন্য বেশী লোকবল দরকার হয়। যদিনা অদিক পরিমান ছাগল এক সাথে পালন না করা হয়। ৪০টি ছাগল এর জন্য ১ জন লোকই যথেস্ট।

৫. একটি মহিলা ছাগল থেকে একবারে ৩টির বেশী বাচ্চা পাওয়া যায় এবং প্রতি বছর যেতে না যেতে তারা বাচ্চা প্রসব করতে সক্ষম। যা গরুর বেলায় ঘটে না। যা একজন ছাগল খামারীর জন্য লাভজনক।

৬. পুরুষ বা মহিলা ছাগলের বাজারে প্রায় একই চাহিদা থাকায় ছাগল পালন ব্যবসা অধিক লাভজনক ব্যবসা।

৭. ছাগলের দুধ ও মাংসে ক্লোরেস্ট্রর খুবই কম থাকায় সহজেই হজম হয়।

৮. বাণিজ্যিক ভাবে ছাগল পালন করে যেমনি আপনি লাভবান হবেন এবং কিছু লোকের জন্য কাজের ব্যবস্থা করতে পারেন। যা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক।

৯. ছাগল থাকার স্থান কোন বিশেষ উপায়ে বানারে হয় না বিধায় খুব সহজেই ছাগল পালন ব্যবসা করতে পারেন।

১০. তুলনামূলক ছাগলের রোগ বালাই কম হয়, তাই রিস্ক বা ঝুঁকি কম থাকে।

১১. অন্য প্রানী যেমন গরুর সাথে ছাগলের ব্যবসা করতে পারেন, তবে আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে।

১২. মোটামুটি যেকোন বিরুপ আবহাওয়া এর মধ্যে ছাগল পালন ব্যবসা করা যায়।

১৩. ছাগল খাবার যে কোন ব্যবসা (গরু, হাঁস-মুরগী পালন) এর থেকে অনেক গুন কম লাগে, তাই অধিক লাভ করা সম্ভব।

পরিশেষে বলা যায় যে, আপনি চাইলে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে, গ্রাম বা শহরে ছাগল পালন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অনেক শুভ কামনা রইল!