সাফল্যের অগ্রযাত্রায় উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

সাফল্যের অগ্রযাত্রায় উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

আপনি উদ্দ্যোগ নিতে পারেন বলেই তো উদ্দ্যেক্তা। উদ্দ্যোক্তা হতে হলেই আপনাকে ঝুঁকি নিতে হবে, কষ্ট করতে হবে, বিপদ আছে জেনেও লাভের আশায় কাজ করতে হবে। তা হলেই আপনি উদ্দ্যোক্তা। এখানে উদ্দোক্তা বলতে ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ এমন উদ্দ্যোক্তাদের কথা বলা হয়নি। এরা সাধারণ মহিলা।

সাফল্যের অগ্রযাত্রায় উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

সাফল্যের অগ্রযাত্রায় উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

মহিলা উদ্দ্যোক্তা উন্নয়নের ফলে যা ঘটে

 

অর্থনৈতিক কর্মে সম্পৃক্ততা – উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

অর্ধ্যেক জন গোষ্ঠিকে বাদ দিয়ে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই গৃহ কর্মের বাহিরে মহিলাদের আরো বেশী অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত করে আয় বৃদ্ধি ও পরিবারের ব্যয় সংকোচনে ভুমিকা রাখা।

 

কাজের স্বীকৃতি – উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

একজন নারী সূর্যদয় থেকে শুরু করে সূর্য অস্তের পরেও প্রায় রাত ১২.০০টা পর্যন্ত অনবরত সাংসারিক সকল কাজ করতে থাকে। অর্থনৈতিক ভাবে তাদের এসকল কাজের সঠিক মূল্যায়ণ হয় না। একজন উদ্দ্যোক্তা হিসাবে এক্ষেত্রে মহিলার কাজের স্বীকৃতি, মর্যাদা বৃদ্ধিও অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্র তৈরী হয়।

 

ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পের প্রসার – উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

ঐতিহ্যগত ভাবে বাংলাদেশের মহিলারা নতুন নতুন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্মে জড়িত। এই নিদৃষ্ট জন গোষ্টিকে অধিকতর কর্ম সংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে উৎপাদন শীল কর্মে নিয়োজিত করে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে অংশীদার করা। হারানো শিল্প পূর্নরুদ্বারে এগিয়ে আসা।

 

অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা – উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

অর্থনৈতিক স্বনিভরতা ছাড়া একজন নারীর তার মত প্রকাশ, সংসারের নীতি নির্ধারনী  বিষয় এমন কি সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্বাচনে তাদের কথার মূল্য থাকে না। তাই মহিলাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনই হলো একমাত্র পথ।

 

বেকারত্ব দুরীকরণ – উদ্দ্যোক্তার ভুমিকায় নারী

বেকারত্ব বৃদ্ধির ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবেলায় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা।

শিল্পের প্রসার

যে সমস্ত এলাকায় এখনও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সেই সকল গ্রামীন ও অনুন্নত এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী শিল্পয়নের প্রসার ঘটানো। যাতে সমভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি সঞ্চারিত হয়।

 

দেশীয় পণ্যের প্রসার

উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশীয় পণ্যের প্রসার ও আর্থিক চাহিদা মেটানো। যাতে বিদেশী পণ্যের উপর নির্ভরশীলতা কমে  আসে। বিদেশী পণ্য আমদানী অর্থনীতিতে বিরুপ প্রভাব ফেলে।

জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা

উৎপাদনশীল কর্মে নিয়োজিতরাই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানী ঘাটতি পুরণ করে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে।