ই-কমার্স ব্যবসা সফল ভাবে দাঁড় করানোর ৪টি উপায়

ই-কমার্স ব্যবসা সফল ভাবে দাঁড় করানোর ৪টি উপায়

ই-কমার্স ব্যবসা সফল ভাবে দাঁড় করানোর ৪টি উপায়

ই-কমার্স ব্যবসা সফল ভাবে দাঁড় করানোর ৪টি উপায়

ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা অনেক কঠিন কাজ। বর্তমান বাজারে খুচরা বিক্রেতারা অনলাইনকে ব্যবহার করে প্রযুক্তিকে সাথে করে ব্যবসায় অনেক নতুন পন্য উদ্ভাবন এবং বন্টন করতে পারছে। তবে আপনি যেই পর্যায়েই ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী হন না কেন সকল জায়গায়ই প্রতিযোগীতা বিদ্যমান। আপনাকে সেই প্রতিযোগীতামূলক বাজারেই আপনার ই-কমার্স ব্যবসা স্থাপন করতে হবে।

আপনাকে গ্রাহকদের মন জয় করে আপনার পন্যের প্রতি তাদেরকে আকৃষ্ট করতে হবে। কিভাবে আপনি ক্রমবর্ধমান বিশে^ গ্রাহকদের আপনার পণ্য বা পরিসেবার প্রতি আকৃষ্ট করবেন? তা আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে। এখানে আমরা আপনার জন্য কয়েকটি উপায় নিয়ে এসেছি যাতে গ্রাহকরা সহজেই আপনার পন্যের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। আর এই গুলো অনুসরণ করলে আপনি অতি সহজেই আপনার ব্যবসার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন।

নতুন এবং উন্নত পন্য

বাজারে যদি আপনার পণ্য বা পরিসেবার মত আরেকটি নির্দিষ্ট পন্য বা পরিসেবা থাকে তাহলে আপনাকে আপনার পন্য উন্নত করার চ্যালেঞ্জ গ্রহন করতে হবে। আর এ জন্য আপনি প্রযুক্তির উপর বিশেষ ভাবে নজর দিতে পারেন। আপনি বিভিন্ন উপায়ে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে আপনার পণ্যের বিকাশ করতে পারেন এবং তা উন্নত করে গ্রাহকদের জন্য বাজারে তুলে ধরতে পারেন।

নতুন পন্য আপনার ব্যবসায় আরও গ্রাহক বাড়াতে সাহায্য করবে। তাছাড়া নতুন পন্য সরবরাহের ফলে বাজারে আপনার সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। আপনি যদি পণ্য বা সেবার উপর আরও বেশি সুযোগ প্রদান করতে পারেন তাহলে প্রতিযোগীদের সাথে আপনি সহজেই বাজারে টিকে থাকতে পারবেন। আর তার জন্য আপনাকে নতুন নতুন উদ্যোগ এবং পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। যাতে ক্রমাগত গ্রাহকরা আপনার পন্যের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে পারে।

ব্র্যান্ডিং

ই-কমার্স ব্যবসাতে নিজেকে ধরে রাখতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই উন্নত মানের পণ্য সরবরাহ করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার ব্র্যান্ড শুধু মাত্র আপনার নিজস্ব সম্পদ। তাছাড়া আপনাকে আপনার ব্যবসার অন্যান্য বিষয়ের উপরও দৃষ্টি দিতে হবে। আপনি কি ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন ? হস্তনির্মিত নাকি অন্য কিছু, তা আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে।

তবে আপনার ব্যবসার পরিবেশ বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে। সর্বোপরি গ্রাহকদের সাথে আপনার আচরণ ভাল হতে হবে। আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের তুলনায় আরও উন্নত পন্য সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে আপনি আপনার বাজারে হতাশ হতেই পারেন অথবা আপনার লক্ষ্যে আপনি ব্যর্থ হতেই পারেন। এতে পিছিয়ে গেলে হবে না। আপনাকে আরও উন্নত পরিকল্পনা করে তা ব্যবসায় প্রয়োগ করে আরও ভাল মানের পন্য উদ্ভাবন করতে হবে।

তৃতীয় পক্ষের চ্যানেল গ্রহন করতে হবে

যদি আপনার নিজস্ব ই-কমার্স ব্যবসা থাকে তাহলে ইতিমধ্যে আপনার নিজস্ব একটি ওয়েব সাইটও রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনার তৃতীয় পক্ষের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে। আর এটি আপনার কাজের জন্য অনেক সুবিধা প্রদান করতে পারে। আপনার গ্রাহকদের কাছে মূল্যবান পণ্য সরবরাহ করার পূর্বে আপনাকে অনলাইন প্রোফাইলটির ভাল করে উন্নয়ন করতে হবে। এতে আপনার গ্রাহকের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

সমস্ত কাজটিতে আপনার সফল হতে হলে আপনাকে আপনার পণ্য গুলো বিভিন্ন ব্লগেও তুলে ধরার চেষ্টা করতে হবে। এতে আপনার কাজ সম্পর্কে আপনার গ্রাহকগন নিশ্চিত হতে পারবে।

সামাজিক ভাবে আপনার ব্যবসাকে জনপ্রিয় করে তুলুন

সামাজিক প্রমান একটি বিশ্বাসযোগ্যতার সূচক মাত্র। এটি আপনাকে আপনার ওয়েব সাইটে দর্শক যোগাতে সাহায্য করতে পারে। তবে আপনার পণ্যের প্রচারণা শুরুর পূর্বে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে কিছু সামাজিক প্রমানের প্রয়োজন হতে পারে। আপনি বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের নিয়ে আপনার পণ্যের প্রচার চালাতে পারেন। এতে আপনি আপনার পণ্যকে সফল ভাবে তুলে ধরতে পারবেন।

তাছাড়া আপনাকে গ্রাহকদের পছন্দের উপরও জোড় দিতে হবে। তাদের চাওয়া অনুযায়ী আপনাকে পন্য সরবারহ করতে হবে। অথবা আপনি আপনার পন্য গুলো নিজেই ব্যবহার বা পরিধান করে বিভিন্ন চিত্র তুলে গ্রাহকদের উৎসাহী করতে পারেন।

আপনাকে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই সমাজের জন্য কিছু ভাল কাজ করতে হবে। আপনি আপনার ইনকামের একটি অংশ দান করার ব্যবস্থা করতে পারেন। এতে আপনার সাথে আপনার ব্যবহারকারীদের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে। ফলে আপনার পণ্যের বিপনন এবং জনসংযোগ আরও দিন দিন বেড়ে যাবে।