আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে

আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে

আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে

আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে

জীবনে সফল ও সম্পদশালী হতে চাইলে আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে। এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ অর্থনীতিতে আপনি কখনই একটি আয়ের পথ দিয়ে সফলতার স্বর্ণশিখরে যেতে পারবেন না।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে আয়ের একাধিক রাস্তা বানানোকে যথেষ্ট ভালবাসি। বর্তমানে আমার আয়ের ৬টি আয়ের পথ আছে, যদিও সব গুলো থেকে খুব বেশী টাকা আয় করতে পারছি না, তবে আয়ের পথ গুলোকে খরচের পথের সাথে সংযুক্ত করতে পেরেছি।

 

যেমন একটি পথ থেকে যা আসে তা দিয়ে বাসা ভাড়া দিতে পারি, আরেকটি দিয়ে খাওয়ার খরচ চলে যায়, এভাবে করে ৬টি পথকে ৬দিকে সংযুক্ত করতে পেরেছি।

 

আয়ের একাধিক রাস্তা বানানোর নানা রকম সুবিধা আছে। যেমন ধরুন, আপনি যদি সকাল-সন্ধ্যা একটি চাকরি করেন এবং কোন এক কারনে আপনার চাকরি চলে যায় তবে আপনি আর্থিক ভাবে পঙ্গু হয়ে যাবেন।

 

কারন আপনার টাকা আয়ের মাধ্যম এই একটি ছিল। এই সময়ে আপনার যদি আরো দুই, একটি আয়ের পথ থাকত তবে আপনি আর্থিক ভাবে পঙ্গু হয়ে যেতেন না।

 

এছাড়া রয়েছে আর্থিক ঝুঁকি নেওয়া। আপনি যদি একটি ব্যবসা শুরু করতে চান তবে নানা কারনে ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন। কেননা ব্যবসা শুরু করার সাথে সাথে লাভ নাও করতে পারেন। যে কোন ব্যবসায় মূলধন লাগিয়ে তা থেকে প্রফিট আসতে সময় লাগে এবং এই সময়টা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে আপনাকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করতে পারে আপনার অন্য ইনকাম মাধ্যমগুলো।

 

এর পরে রয়েছে মানসিক শান্তি এবং দীর্ঘ মেয়াদে সম্পদ গড়ে তোলার এক নিশ্চয়তা। আর্থিক স্বাধীনতা পেতে চাইলে আপনাকে আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে।

 

একটি মূল পেশাকে কেন্দ্র করে আপনি ধীরে ধীরে আয়ের পথ বাড়াতে পারে। যেমন ধরুন, আপনি যদি সকাল সন্ধ্যা চাকরি করেন তবে আপনি চাইলে আপনার ফ্রী সময়ে অনলাইনে কাজ করতে পারেন। আর্টিকেল লিখতে পারেন, ব্লগ চালাতে পারেন, ই-কমার্স ব্যবসা করতে পারেন।

 

মূলধন একটু বেশী থাকলে পার্টনারশীপে ব্যবসা করতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের দোকানও দিতে পারেন। মূল কথা আপনাকে আয়ের একাধিক রাস্তা বানাতেই হবে। পড়ুন – ১২০টি বিজনেস আইডিয়া 

 

আর আপনি যদি ইতিমধ্যে ব্যবসার সাথে জড়িত থাকেন তবে আপনি যেই ব্যবসার করছেন তার বাইরে গিয়ে অন্য শিল্পে নিজেকে জড়াতে পারেন। সফলতা পেতে চাইলে আপনাকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

 

উদাহরন হিসাবে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গ্রুপ অফ কোম্পানি বসুন্ধরা নিয়ে গবেষণা করতে পারেন। তারা ১৯৮৭ সালে আবাসন ব্যবসার মধ্য দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু করে বর্তমানে তারা সিমেন্ট, পেপার মিলস্‌, মিডিয়া কোম্পানি, এলপি গ্যাস, ফুড এন্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ সহ নানা শিল্পে নিজেদের জড়িয়েছে। ফলস্বরুপ তারা আজকে বাংলাদেশের সেরা কোম্পানি। – কে এম চিশতি সিয়াম // ইউটিউব লিঙ্ক