আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আয়বৃদ্ধি মূলক কর্মকান্ড

আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আয়বৃদ্ধি মূলক কর্মকান্ড

আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আয়বৃদ্ধি মূলক কর্মকান্ড

আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আয়বৃদ্ধি মূলক কর্মকান্ড

বিপুল জন সংখ্যার এই দেশে অধিকাংশ লোক কোন না কোন ভাবে দারিদ্রতার সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে আছে। দেশে শিক্ষিত বেকারযুবক যুবতীদের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে। চাষ যোগ্য জমির পরিমাণ কমে যচ্ছে। আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সরকার সকলের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সক্ষম হচ্ছে না। আয়বৃদ্ধি মূলক উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্যক্তি উদ্দ্যেগে নতুন নতুন উদ্দ্যেক্তা সৃষ্টিকরা। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গুলিকে আরো তৎপর ও জোড়ালো ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসা।

যে সকল উদ্দ্যেক্তা মূলধনের অভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারছে না তাদের আর্থিক সুবিধা প্রদান। অপর দিকে পর্যাপ্ত মূলধনের অভাবে যারা প্রতিযোগিতায় ঠিকে থাকতে পারছে না। তাদের আর্থিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ব্যবসায়ে ধরে রাখা। ব্যবসায়ে মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংক লোন প্রাপ্তিতে সহজলভ্যতা আনা।

্আমাদের দেশে ব্যবসায়ে ভাল অভিজ্ঞতা না থাকায় ক্ষুদ্র উদ্দ্যোক্তাদের টিকে থাকতে না পারা ও একটি কারণ। এ ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্প পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করা। প্রকল্প কাজে দক্ষতা ও ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা।

ব্যক্তি উদ্দ্যোগ বা প্রতিষ্ঠানিক যে কোন উদ্দ্যোগেই প্রকল্প গ্রহণ করা হোক না কেন ঐ প্রকল্পে নিজস্ব তহবিল ও অভিজ্ঞতা এ দুটির সমন্বয় থাকা। আমাদের দেশে অনেক এনজিও আয় বৃদ্ধি মূলক কর্মকান্ডে দলীয় সদস্যদের সঞ্চয় ব্যবহার ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। প্রশিক্ষণের ফলে সদস্যরা নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহনে অনুপ্রানিত হয়।

আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে কতিপয় প্রতিবন্ধকতা

উদ্দ্যোক্তাদের পর্যাপ্ত কারিগরী দক্ষতার অভাব। আবার কিছু কিছু উদ্দ্যোক্তা দক্ষতা নির্ভর আয় বৃদ্ধি কর্মকান্ড করতে গিয়ে ঝঁকির সম্মুখীন হয়ে থাকে যেমন: হাঁস-মুরগী ও গবাদি পশু পালনের ক্ষেত্রে রোগ বালাই দূরীকরনে প্রতিশেধকের অভাব। যাহা যথাসময়ে সংগ্রহ করতে না পারা।

গ্রাম এলকায় সাধারণ জনগোষ্টির মধ্যে প্রয়োজনীয় লেখা পড়ার জানার সংখ্যা কম। ফলে তাদের কর্ম উপযোগী সঠিক প্রকল্প বাছাই করতে শুরুতই বিড়ম্বনা।

সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে আয়বৃদ্ধি মূলক প্রকল্প ব্যহত হয়। ব্যবস্থাপনাগত দূর্বল দিকের মধ্যে সুষ্ট হিসাব সংরক্ষণ। ক্যাশ নিয়ন্ত্রণ ও ঋণকার্য পরিচালনা।

পণ্য বাজারজাত করনে স্থানীয় হাট বাজারের উপর নির্ভরশীলতা। জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক বাজারে উৎপাদিত পণ্য সরবরাহে সীমাবদ্ধতা এইরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সরকারী বেসরকারী পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে বাজারজাত করনে ভূমিকা রাখতে এগিয়ে আসা।